মেনু নির্বাচন করুন
অফিস পরিচিতি ইসলামিক ফাউন্ডেশন,গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণাধীন একটি সরকারী জাতীয় প্রতিষ্ঠান। মহান আল্লাহর মনোনীত একমাত্র পূর্ণাঙ্গ জীবন ব্যবস্থা,ইসলামের যথাযথ প্রচার- প্রসারের এবং দেশের সংখ্যা গরিষ্ঠ মানুষের সামগ্রিক জীবন ব্যবস্থাকে প্রকৃত ইসলামের আলোকে গড়ে তোলার মহান ব্রত নিয়ে স্বাধীনতার মহান স্থপতি হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙ্গালী জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭৫ সালে ২২ মার্চ এক অধ্যাদেশ বলে ইসলামিক ফাউন্ডেশন প্রতিষ্ঠা করেন। 

সাধারণ তথ্য

ইসলামিক ফাউন্ডেশন পরিচিতি

 
 
১৯৭১ সালে নয় মাসের রক্তক্ষয়ী সর্বাত্মক মুক্তিযুদ্ধের মধ্যদিয়ে বাংলাদেশ স্বাধীন হয়। দেশের সর্বসত্মরের মানুষ মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে থাকলেও একটি ক্ষুদ্র গোষ্ঠী ‘ইসলামি সংহতি’ ও ‘মুসলিম ভ্রাতৃত্ব’ অটুট রাখার অজুহাতে মহান মুক্তিযুদ্ধের বিরোধিতা করে এবং তৎকালীন পাকিসত্মানি স্বৈরশাসক গোষ্ঠী ও হানাদার বাহিনীর সাথে হাত মেলায়। ইসলামের ভুল-ব্যাখ্যা করে তারা সরলপ্রাণ জনগণকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করে এবং মুক্তিযুদ্ধকে ইসলাম-বিরোধী কাজ ও মুক্তিযোদ্ধাসহ মুক্তিকামী জনগণকে ইসলামের শত্রু বলে আখ্যায়িত করে। শুধু প্রচার-প্রচারণা নয়, ইসলামের অপব্যাখ্যা করে হানাদার বাহিনীর সঙ্গে হত্যা-লুণ্ঠনসহ মানবতাবিরোধী সকল অনৈসলামিক কার্যক্রম পরিচালনা করে। তাদের এই তৎপরতা ছিলো সম্পূর্ণ অন্যায় ও ইসলামি আদর্শের পরিপন্থি। মুক্তিযুদ্ধ ছিলো হানাদার জালিমের বিরুদ্ধে মজলুম জনগণের ইসলাম সম্মত এক সর্বাত্মক ন্যায়যুদ্ধ। ওই সময় স্বার্থান্বেষী গোষ্ঠীর ইসলাম-বিরোধী কর্মকান্ডের কারণে দেশ-বিদেশে শামিত্মর ধর্ম ইসলামের ভাব-মর্যাদা দারুণভাবে ক্ষুণ্ণ হয়। 

এই তিক্ত অভিজ্ঞতার প্রেক্ষাপটে স্বাধীন বাংলাদেশে ইসলামের যথার্থ শিক্ষা ও মর্মাবাণী সঠিকভাবে ব্যাপক জনগোষ্ঠীর মাঝে প্রচার-প্রসারের প্রয়োজনীয়তা তীব্রভাবে অনুভূত হয়। এরই ফলশ্রম্নতিতে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭৫ সালের ২২ মার্চ এক অধ্যাদেশবলে ইসলামিক ফাউন্ডেশন প্রতিষ্ঠা করেন। ইসলামি আদর্শের যথাযথ প্রকাশ তথা ইসলামের উদার মানবতাবাদী চেতনা বিকাশের লক্ষ্যে একটি বিধিবদ্ধ সংস্থা হিসেবে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠা ছিলো জাতির জনকের সুদূরপ্রসারী চিন্তার এক অমিত সম্ভাবনাময় স্বর্ণফসল।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আগারগাঁও, শেরেবাংলানগর, ঢাকা-১২০৭

 

 

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অধীনে ইসলামিক ফাউন্ডেশন একটি বিধিবদ্ধ স্বায়ত্বশাসিত সংস্থা। ইসলামের প্রচার-প্রসারের লক্ষ্যে বাংলাদেশের মহান স্থপতি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭৫ সালের ২২ মার্চ এক অধ্যাদেশবলে ‘ইসলামিক ফাউন্ডেশন’ প্রতিষ্ঠা করেন। বাংলাদেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষ মুসলমান। সুপ্রাচীন কাল থেকে এ দেশে ইসলামী আদর্শ ও মূল্যবোধের লালন ও চর্চা হয়ে আসছে। ইসলামের এই সমুন্নত আদর্শ ও মূল্যবোধের প্রচার ও প্রসার কার্যক্রমকে বেগবান করার লক্ষ্যে ইসলামিক ফাউন্ডেশন এ্যাক্ট ১৯৭৫ অনুযায়ী এর লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য বাসত্মবায়ন হয়ে থাকে।

            ইসলামিক ফাউন্ডেশন-এর লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য অনুযায়ী বিভিন্ন কার্যক্রম ১৪ টি বিভাগ, ৪টি বিভাগীয় ও ৬০টি জেলা কার্যালয়, ৭টি ইমাম প্রশিক্ষণ একাডেমী এবং ৩৩টি ইসলামিক মিশন কেন্দ্রের মাধ্যমে বাসত্মবায়িত হচ্ছে। বর্তমান সরকারের ২০০৯-২০১৩ (ডিসেম্বর) পর্যমত্ম ৫ (পাঁচ) বছরে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের বিভিন্ন বিভাগের মাধ্যমে বাসত্মবায়িত উন্নয়নমূলক কর্মকান্ডের সাফল্যের চিত্র নিম্নে উলেস্নখ করা হলোঃ

বর্তমান সরকারের সময়ের ৫ (পাঁচ) বছরে অর্থনৈতিক, সামাজিকসহ বিভিন্নখাতে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের অর্জিত সাফল্যের প্রতিবেদন ঃ

 

(১)

(২)

(৩)

(৪)

ক্রঃ নং

কর্মকান্ডের বিষয়

পাঁচ বছরের অর্জন

সাফল্যের হার

পরিমাণগত

গুনগত

কাঠামোগত

১।

প্রশাসন বিভাগঃ ২০০৯-২০১৩ ইং (ডিসেম্বর ২০১৩ পর্যমত্ম)

জনবল স্থানামত্মর/রাজস্বখাতে পদ সৃজন সংক্রামত্ম তথ্যঃ

 

(ক) কর্মকর্তা নিয়োগ

৬৩ জন

ইসলাম প্রচারও প্রসারে সহায়ক

--

১০০%

(খ) কর্মচারী নিয়োগ

৫৩ জন

’’

--

১০০%

(গ) আউট সোর্সিং কর্মচারী নিয়োগ

১০ জন

’’

--

১০০%

(ঘ) পদোন্নতি (i) (কর্মকর্তা) (পরিচালক, উপ-পরিচালক, সম্পাদক, সহকারী পরিচালক, হিসাব রক্ষণ কর্মকর্তা, গবেষণা কর্মকর্তা, একামত্ম সচিব)

(ii) পদোন্নতি কর্মচারী

৭১ জন

 

 

৪৭ জন

’’

--

১০০%

(ঙ) মসজিদ পাঠাগারের সমাপ্ত প্রকল্পের পদ ও জনবল রাজস্বখাতে স্থানামত্মর

৫ জন

’’

--

১০০%

(চ) ইসলামিক মিশন বিভাগের জন্য রাজস্বখাতে পদ সৃজন

৪০ টি

’’

--

১০০%

(ছ) মসজিদ পাঠাগার বিভাগের জন্য রাজস্বখাতে পদ সৃজন

২টি

’’

--

১০০%

 

(জ) নতুন পদ সৃজন (প্রশাসন, প্রকাশনা এবং দ্বীনি দাওয়াত ও সংস্কৃতি)

৭টি

’’

 

১০০%

 

২।

সমন্বয় বিভাগঃ

 

(ক) জাতীয় ও ইসলামী গুরম্নত্বপূর্ণ দিবস উদযাপন অনুষ্ঠান

৩৬৮৭ টি

ইসলাম প্রচার ও প্রসারসহ সরকারের নীতি ও সিদ্ধামত্ম বাসত্মবায়ন

--

১০০%

(খ) মহিলা অনুষ্ঠান

৮০০ টি

ইসলামে নারী অধিকার ও সরকারী নারী নীতি বাসত্মবায়নে সহায়ক

--

১০০%

(গ) রমজানের তফসিল মাহফিল

৪৮৪১ টি

রমজানের গুরম্নত্ব ও তাৎপর্য তুলে ধরতে সহায়ক

--

১০০%

(ঘ) শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ভিত্তিক অনুষ্ঠান

৩৬৯০ টি

ছাত্র-ছাত্রীদের মাঝে ইসলামিক আদর্শ তুলে দরতে সহায়ক

--

১০০%

(ঙ) জাতীয় শিশু কিশোর প্রতিযোগিতা (উপজেলা, জেলা ও বিভাগ পর্যায়)

২,৭৯৭ টি

শিশু-কিশোরদের ইসলামিক জ্ঞানঅর্জনে সহায়ক

--

১০০%

(চ) জাতীয় পর্যায়ে শিশু কিশোর পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান

৪ টি

--

১০০%

(ছ) জাতির জনকের জন্ম ও সাহাদাত বার্ষিকী উদযাপন

৬৩৮৫ টি

জাতির জনকের নীতি ও আদর্শ বাসত্মবায়নে অনুপ্রাণিত করা

--

১০০%

(জ) যৌতুকের বিরম্নদ্ধে সামাজিক আন্দোলন

২৮৮ টি

যৌতুকের অভিশাপ থেকে জাতিকে মুক্ত করতে সহায়ক

--

১০০%

(ঝ) সন্ত্রাস ও জঙ্গীবাদ প্রতিরোধ ও প্রতিকারে সভা সমাবেশ ও মসজিদে প্রাক খুতবা আলোচনা

১১৭৭৬টি

দেশ থেকে সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ নির্মূল করতে সহায়ক

--

১০০%

(ঞ) সন্ত্রাস ও জঙ্গীবাদ প্রতিরোধ ও প্রতিকারে জনমত সৃষ্টির লক্ষ্যে বিভিন্ন পর্যায়ে লিফলেট বিতরণ

৪২,০০,০০০

 

 

 

(ট) নারী অধিকার মর্যাদা রক্ষায় আলোচনা সভা

৬৬৫৬ টি

নারী অধিকার বাসত্মবায়নে সহায়ক ভূমিকা পালন

--

১০০%

(ঠ) নারী অধিকার মর্যাদা রক্ষায় মসজিদ মাদ্রাসায় ও সর্বসত্মরের মুসলিস্নদের মধ্যে লিফলেট বিতরণ

২৫,০০,০০০

নারী অধিকার বাসত্মবায়নে সহায়ক ভূমিকা পালনসহ নারীনীতিমালার স্বপক্ষে জনমত গঠনে সহায়ক

 

 

(ড) মানব সম্পদ উন্নয়নে ধমীয় নেতাদের সম্পৃক্তকরণ

৮৬৪ টি

 

--

১০০%

(ঢ) ১৭ মার্চ জাতীয় শিশু দিবস

৪৯০ টি

 

--

১০০%

(ণ) ঈদউত্তর শিশু অনুষ্ঠান

৬৪ টি

 

--

১০০%

(ত) ২২ মার্চ ইসলামিক ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপন

৬৫ টি

ইসলামিক ফাউন্ডেশনের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য বাসত্মবায়নে সহায়ক

--

১০০%

(থ) জেলা/বিভাগীয় পর্যায়ে চাঁদ দেখা কমিটির মিটিং

৩,৭০৮ টি

আরবী মাসের দিন ও তারিখ নির্ধারণে সহায়ক

--

১০০%

(দ) জেলা কার্যালয়ে ভবন নির্মাণের জন্য জমি প্রাপ্তির জেলার সংখ্যা

১২ টি

নিজস্ব ভবন নির্মাণের মাধ্যমে দাপ্তরিক কার্যক্রম পরিচালনা

--

--

(ধ) মাঠ পর্যায়ের আলেম-ওলেমাদের সাথে জাতীয় ও সামাজিক সমস্যা সমাধানে গণসচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে মত বিনিময় সভা

২৪,১৯২টি

মাঠ পর্যায়ে সমস্যা সমাধানে গণসচেতনতা সৃষ্টির সহায়ক

 

 

 

(১)

(২)

(৩)

(৪)

ক্রঃ নং

কর্মকান্ডের বিষয়

পাঁচ বছরের অর্জন

সাফল্যের হার

পরিমাণগত

গুনগত

কাঠামোগত

 

 

৩।

কেন্দ্রীয় লাইব্রেরীঃ

 

(ক) দেশী/বিদেশী পুসত্মক সংগ্রহ

৫৩৫৩ টি

ইসলামের প্রচার ও প্রসার, ইসলামী বই পাঠ্যভ্যাস সৃষ্টি

--

১০০%

(খ) প্যাম্পলেট সংগ্রহ

৬৬৪ টি

’’

--

১০০%

(গ) পাঠক সেবা

৫৮৭৭০০ জন

’’

--

১০০%

(ঘ) গবেষক সেবা

৪২২ জন

’’

--

১০০%

(ঙ) লিফট সংগ্রহ

০১ টি

’’

--

১০০%

(চ) জেনারেটর সংগ্রহ

০১ টি

’’

--

১০০%

(ছ) সিসি টিভি(ক্যামেরা)

০৮ টি

’’

--

১০০%

(জ) লাইব্রেরীরর স্বতন্ত্র ভবন নির্মাণ

১টি

আধুনিক সুযোগ সুবিধা সম্বলিত ৪ তলা বিশিষ্ট ভবন নির্মাণের মাধ্যমে সেবা প্রদান করা

২১০০০ বর্গফুটের ৪ তলা বিশিষ্ট একটি স্বতন্ত্র ভবন (২য় হতে ৫ম তলা)

১০০%

(ঝ) আসবাবপত্র সংগ্রহ

৪৮ টি

’’

--

১০০%

(ঞ) অন লাইনে ইউপিএস সংগ্রহ

০২ টি

’’

--

১০০%

(ট) প্রিন্টার সংগ্রহ

০২ টি

’’

--

১০০%

(ঠ) কার্পেট সংগ্রহ

১৬০০০ বর্গফুট

’’

--

১০০%

(ড) বাংলা ভাষায় পুস্ত্তক সংগ্রহ

২২৪৬ টি

’’

--

১০০%

(ঢ) ইংরেজী ভাষায় পুস্ত্তক সংগ্রহ

১৪৮৭ টি

’’

--

১০০%

(ণ) আরবী ভাষায় পুসত্মক সংগ্রহ

১৬৩০ টি

’’

--

১০০%

 

 

 

 

 

 

৪।

ইমাম প্রশিক্ষণ একাডেমীঃ

 

 

 

 

 

(ক) ইমামদের নিয়মিত প্রশিক্ষণ (৪৫ দিন)

১৭২৬৪ জন

আর্থ সামজিক উন্নয়নে অবদান

--

১০০%

 

(খ) ইমামদের রিফ্রেসার্স কোর্স (৫ দিন)

৭৫৫৪ জন

--

১০০%

 

(গ) কর্মকর্তা প্রশিক্ষণ

৩২৩ জন

কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের দক্ষতা বৃদ্ধিতে সহায়ক ভূমিকা

--

১০০%

 

(ঘ) কর্মচারী প্রশিক্ষণ

৮৭৯ জন

--

১০০%

 

(ঙ) কম্পিউটার প্রশিক্ষণ (কর্মকর্তা)

২০৬ জন

--

১০০%

 

(চ) কম্পিউটার প্রশিক্ষণ (কর্মচারী)

৬৪৩ জন

--

১০০%

 

(ছ) কম্পিউটার প্রশিক্ষণ (ইমাম)

৭৫২১ জন

--

১০০%

 

(জ) মানব সম্পদ উন্নয়ন

৭,২৮৪ জন

--

--

১০০%

 

(ঝ) জেলা পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ ইমামদের পুরস্কার প্রদান

৯৬০ জন

     ইমামদের মধ্যে প্রতিযোগিতামূলক মনোভাব গড়ে তুলতে সহায়ক

--

১০০%

 

(ঞ) বিভাগীয় পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ ইমামদের পুরস্কার প্রদান

১০৫ জন

--

১০০%

 

(ট) জাতীয় পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ ইমামদের পুরস্কার প্রদান

১৫ জন

--

১০০%

 

(ঠ) শ্রেষ্ঠ খামারীদের পুরস্কার প্রদান

৩২০ জন

ইমামদের সাবলম্বী করে গড়ে তোলার উৎসাহ প্রদান

--

১০০%

 

(ড) এল.ও.আই. প্রশিক্ষণ প্রদান (ইমাম)

১০,১৮৫ জন

--

--

১০০%

 

(ঢ) ইমাম সম্মেলন (উপজেলা পর্যায়ে)

১,৯৪৮ টি

ইসলামের প্রচার, প্রসার ও সরকারের পক্ষে জনমত সৃষ্টিতে সহায়ক

--

১০০%

 

(ণ) ইমাম সম্মেলন (জেলা পর্যায়ে)

৩২০ টি

--

১০০%

 

(ত) ইমাম সম্মেলন (বিভাগীয় পর্যায়ে)

৩৫ টি

--

১০০%

 

(ত) ইমাম সম্মেলন (জাতীয় পর্যায়ে)

৫টি

--

১০০%

 

(থ) মানব সম্পদ উন্নয়ন ইমামদের বিভাগীয় সম্মেলন

৭ টি

নৈতিক মান উন্নয়ন ও জনসংখ্যাকে জনশক্তিতে রূপামত্মরে সহায়ক

 

--

১০০%

 

(দ) মানব সম্পদ উন্নয়ন সম্মেলনে বিভাগীয় পর্যায়ে পুরস্কার প্রদান

১৪৭ জন

--

১০০%

 

(ধ) মানব সম্পদ উন্নয়ন সম্মেলন (জাতীয় পর্যায়ে)

১টি

--

১০০%

 

(ন) মানব সম্পদ উন্নয়ন সম্মেলনে জাতীয় পর্যায়ে পর্যায়ে পুরস্কার প্রদান

৮ টি

--

১০০%

 

 

 

 

 

(১)

(২)

(৩)

(৪)

ক্রঃ নং

কর্মকান্ডের বিষয়

পাঁচ বছরের অর্জন

সাফল্যের হার

পরিমাণগত

গুনগত

কাঠামোগত

৫।

ইসলামিক মিশনঃ

 

(ক) চিকিৎসা কার্যক্রম (এ্যালোপ্যাথীক)

৩০৭২৯০৫ জন

ইসলামের সুমহান বাণী প্রচার ও প্রসারের লক্ষ্যে দেশের প্রত্যমত্ম অঞ্চলে দুঃস্থ ও দারিদ্রপীড়িত জনসাধারণকে বিনামূল্যে এলাপ্যাথিক ও হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা সেবা প্রদান।

--

৮৯%

 

(খ) হোমিওপ্যাথীক

১৫৩৯৭৭১ জন

--

৭৬%

 

(গ) ডায়াগনোস্টিক সেন্টারে সেবা প্রদান

৩৪৪৪১ জন

--

৮০%

 

(ঘ) চক্ষুশিবির কর্তৃক সেবা প্রাপ্ত রোগীর সংখ্যা

৪,৯৮৬ জন

--

৭৮%

 

(ঙ) টঙ্গী শিশু হাসপাতালের চিকিৎসা সেবা (&এ্যালোপ্যাথিক)

১০৫৪৭৯ জন

যাকাত বোর্ডের অর্থায়নে টংগী শিশু হাসপাতালে দুঃস্থ ও গরীব রোগীদের চিকিৎসা সেবা প্রদান

--

১১৩%

 

(চ) টঙ্গী শিশু হাসপাতালের চিকিৎসা সেবা (&হোমিওপ্যাথিক)

৬৫৬৫৯ জন

--

১১৬%

 

(ছ) মক্তব/নৈশ মক্তবের সংখ্যা

৩৫০ টি

নিরক্ষরতা দূরীকরণের লক্ষ্যে মসজিদ ভিত্তিক মক্তব মাধ্যমে (সহীহ শুদ্ধভাবে কুরআন শিক্ষাসহ) প্রাক প্রাথমিক শিক্ষা প্রদান।

--

১০০%

 

(জ) মক্তব/নৈশ মক্তবের ছাত্র-ছাত্রীর সংখ্যা

১৯৬০৭ জন

--

১৯৯%

 

(ঝ) মক্তব//নৈশ মক্তবের শিক্ষক সমন্বয় সভার সংখ্যা

১১৬৫৬ টি

--

৯২%

 

(ঞ) এবতেদায়ী মাদ্রাসার ছাত্র-ছাত্রীর সংখ্যা

৭০২৫ জন

এবতেদায়ী মাদ্রাসার মাধ্যমে দেশের প্রত্যমত্ম অঞ্চলে প্রাথমিক, নৈতিক ও ধর্মীয় শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা।

--

৯০%

 

(ট) জাতীয় ধর্মীয় দিবস উদযাপন

৫৮৮২ টি

ইসলামের প্রচার ও প্রসারের লক্ষ্যে বিভিন্ন ধর্মীয় ও জাতীয় দিবস পালনসহ সন্ত্রাস ও জঙ্গীবাদ প্রতিরোধ এবং সামাজিক সমস্যা সমাধানে সচেতনতা বৃদ্ধি ও উদ্বুদ্ধকরণ কর্মসূচি বাসত্মবায়ন।

--

১১৬%

 

(ঠ) উদ্বুদ্ধকরণ মাহফিলের সংখ্যা

৯৯৯ টি

--

৯৩%

 

(ড) উদ্বুদ্ধকরণ মাহফিলের উপস্থিতির সংখ্যা

৩৫১২২ জন

--

৪৫৪%

 

(ঢ) সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ প্রতিরোধ অনুষ্ঠান

১৮৫ টি

--

১০০%

 

(ণ) মিশন কেন্দ্রে রোপিত গাছের সংখ্যা

৭৫৪৫ টি

নবী করীম (সা:) বৃক্ষরোপনকে সদকায়ে জারিয়া হিসাবে উলেস্নখ করেছেন। পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষার্থে বৃক্ষরোপন একামত্ম আবশ্যকীয় বিধায় ইসলামিক মিশন কেন্দ্রসমূহে ফাঁকা জায়গায় বৃক্ষ রোপন করা হয়েছে।

--

৯৪%

 

(ত) নতুন মিশন কেন্দ্র স্থাপনঃ

৩ টি

বর্তমান সরকারের আমলে উলেস্নখিত স্থানসমূহে ৩টি ইসলামিক মিশন প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে সুবিধাবঞ্চিত দরিদ্র জনগোষ্ঠীকে শিক্ষা ও চিকিৎসা সেবা প্রদান।

তিন কক্ষ বিশিষ্ট আধা পাকা অস্থায়ী ভবন নির্মাণ করা হয়েছে

-

 

(ত.১) ইসলামিক মিশন বিজয় নগর, বি.বাড়িয়া

০১ টি

 

(ত.২) ইসলামিক মিশন ইটনা, কিশোরগঞ্জ

০১ টি

তিন কক্ষ বিশিষ্ট আধা পাকা ভবন নির্মাণাধীন

-

 

(ত.৩) ইসলামিক মিশন কালকিনি, মাদারীপুর

০১টি

জমিক্রয় প্রক্রিয়াধীন

-

 

(থ) মোবালিস্নগ প্রশিক্ষণ

৪৪৫ জন

মোবালিস্নগ প্রশিক্ষণের মাধ্যমে মক্তব শিক্ষকদের বিভিন্ন বিষয়ে অভিজ্ঞতাঅর্জন ও সামাজিক সমস্যা সমাধানে সচেতনতা সৃষ্টি।

--

৭৪%

 

(১)

(২)

(৩)

(৪)

ক্রঃ নং

কর্মকান্ডের বিষয়

পাঁচ বছরের অর্জন

সাফল্যের হার

পরিমাণগত

গুনগত

কাঠামোগত

৬।

গবেষণা বিভাগঃ

 

 

 

 

 

 

পান্ডুলিপি রিভিউ

২৫ টি

প্রযোজ্য নয়

প্রযোজ্য নয়

৯৮%

 

 

পান্ডুলিপি সম্পাদনা

১৫ টি

প্রযোজ্য নয়

প্রযোজ্য নয়

 

 

 

পুসত্মক মুদ্রণ

৪৫টি

(১৫০০ ফর্মা মুদ্রণ সম্পন্ন)

ইসলামী মৌলিক প্রকাশনা

 

৯৬%

 

 

সেমিনার

৬ টি

ইসলামের মৌলিক বিষয়ে গ্রন্থ রচনার যোগ্যতা নিরম্নপণ;

সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদ দমনে আলেম ওলামা, পীর মাশায়েখ ও ইমামদের ভূমিকা, ইসলামী গবেষণায় নারীদের সম্পৃক্তকরণ ও সমাজকল্যাণমূলক কাজে তাদের অবদান শীর্ষক সেমিনার

প্রযোজ্য নয়

১০০%

 

 

ওয়ার্কশপ

২ টি  বাসত্মবায়ন

১০০ জন গবেষকের অংশগ্রহণে ওয়ার্কশপ বাসত্মবায়ন

প্রযোজ্য নয়

১০০%

 

 

ইসলমিক ফাউন্ডেশন পত্রিকা প্রকাশ

১৫ টি সংখ্যা

(২৫×১৫=৪২৫ ফর্মা )

গবেষণাসমৃদ্ধ ১৭০ টি প্রবন্ধ প্রকাশ

প্রযোজ্য নয়

১০০%

 

 

রেফারেন্স গ্রন্থ ও তথ্য সংগ্রহ

৭০ টি

অখ্যাত প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান ও সাধারণ ব্যক্তির রচিত গ্রন্থ সংগ্রহ

প্রযোজ্য নয়

১০০%

 

 

(১)

(২)

(৩)

(৪)

ক্রঃ নং

কর্মকান্ডের বিষয়

পাঁচ বছরের অর্জন

সাফল্যের হার

পরিমাণগত

গুনগত

কাঠামোগত

৭।

প্রকাশনাঃ

 

(ক) নতুন পুসত্মক প্রকাশ

২৩৫ টি

ইসলামের প্রচার ও প্রসারে সহায়ক বিভিন্ন গ্রন্থ ও পত্র পত্রিকা প্রকাশ করা

--

১০০%

 

(খ) পুনর্মুদ্রণ

২৭৪ টি

--

১০০%

 

(গ) মাসিক অগ্রপথিক পত্রিকা

৬০ টি

--

১০০%

 

(ঘ) মাসিক সবুজপাতা পত্রিকা (শিশু কিশোরদের জন্য)

৬০ টি

--

১০০%

 

(ঙ) পুসত্মক প্রদর্শনী ও বই মেলা

১০ টি

--

১০০%

 

৮।

অনুবাদ ও সংকলন বিভাগঃ

 

(ক) নতুন পুসত্মক মুদ্রণ

২৫ টি

ইসলামের প্রচার ও প্রসারের সহায়ক বিদেশী ভাষার পুসত্মকাদি বাংলা ভাষায় রূপামত্ম করে তা প্রকাশ করা

--

১০০%

 

(খ) পুনর্মুদ্রণ

৩৩ টি

--

১০০%

 

৯।

ইসলামী বিশ্বকোষ বিভাগঃ

 

(ক) নতুন মুদ্রণ

০৬ টি

--

--

৮০%

 

(খ) পুনর্মুদ্রণ

১১ টি

--

--

৮০%

 

১০।

দ্বীনি দাওয়াত ও সংস্কৃতি বিভাগঃ

 

(ক) ধর্মীয় ও জাতীয় গুরম্নত্বপূর্ণ দিবস উদযাপনঃ

৮০ টি

ইসলাম প্রচারের সহায়ক

--

১০০%

 

(খ) মনীষীদের জীবনী আলোচনা

১৬০ টি

ইসলামের শিক্ষা, আদর্শ ও মূল্যবোধের প্রচার ও প্রসার, ধর্মীয় ও জাতীয় গুরম্নত্বপূর্ণ দিবসসমূহ উদযাপন, সাহাবায়ে কিরাম(রা), মুসলিম মনীষী ও জাতীয় নেতৃবৃন্দের স্মরণ সভা এবং ইসলামের মৌলিক ও গুরম্নত্বপূর্ণ বিষয়ে আলোচনা সভা, সেমিনার-সিম্পোজিয়াম, তাফসীর, দরসে হাদীস, বিষয়ভিত্তিক ওয়াজ-মাহফিল, ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী (সা) প্রভৃতি উপলক্ষে বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ ও পরিচালনা, স্থানীয়, জাতীয় ও আমত্মর্জাতিক পর্যায়ে অনুষ্ঠিতব্য কিরআত ও হিফয প্রতিযোগিতায় প্রতিযোগী বাছাইসহ ইসলামের শিক্ষা ও আদর্শ প্রচারের লক্ষ্যে বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ ও বাস্তবায়নের মাধ্যমে ইসলামের প্রচার ও প্রসারের সহায়তা প্রদান করা হয়ে থাকে।

--

১০০%

 

(গ) আমত্মর্জাতিক ক্বিরাত, হিফ্জ ও তাফসীর প্রতিযোগিতার প্রার্থী প্রেরণ

৩২ টি

--

১০০%

 

(ঘ) তাফসীর মাহফিল, দরসে হাদীস ও ফাযালে মাসায়েল আলোচনা

৯৬০ টি

--

১০০%

 

(ঙ) চাঁদ দেখা কমিটির সভা বাসত্মবায়ন

৪৮ টি

--

১০০%

 

(চ) বিষয় ভিত্তিক আলোচনা সভা

১২০০

--

১০০%

 

(ছ) সেমিনার ও বিশেষ ওয়াজ মাহফিল

৬০ টি

--

১০০%

 

(জ) পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উদযাপন

১১০ টি

--

১০০%

 

(ঝ) হালাল সনদ কার্যক্রম

১২ টি

চূড়ামত্ম পর্যায়

--

৯৫%

 

(ঞ) দুর্নীতি সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ প্রতিরোধ কার্যক্রমে ভূমিকা

৭০ টি

দুর্নীতি সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ প্রতিরোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে সহায়ক

--

১০০%

 

(ট) বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও অধিদপ্তর থেকে প্রেরিত বিষয় সম্পর্কে মতামত প্রদান

৪৫ টি

--

--

১০০%

 

(ঠ) বিশেষ মিলাদ ও দোয়ার অনুষ্ঠান

১০০ টি

ইসলামের প্রচার ও প্রসারে সহায়ক

--

১০০%

 

(ড) বিদেশী মেহমানদের অভ্যর্থনা জ্ঞাপন এবং তেলাওয়াতের জন্য আয়াত ও কারী নির্বাচন

৯৭ টি

--

--

১০০%

 

(ঢ) মাহে রমযানে তাফসীর মাহফিল

১২০ টি

রমজানের গুরম্নত্ব ও তাৎপর্য তুলে ধরতে সহায়ক

--

১০০%

 

(ণ) তারাবীহ পূর্ব সংক্ষিপ্ত সারমর্ম আলোচনা

১১৬ টি

--

১০০%

 

(ত) জুমু’আ পূর্ব আলোচনা

২০৮ টি

ইসলাম প্রচার, প্রসার ও সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ প্রতিরোধে সহায়ক

--

১০০%

 

(থ) ইসলামিক ফাউন্ডেশন ভাষা ইনস্টিটিউট

৩২০ টি

--

--

১০০%

 

(দ) ও আই সি ফিকাহ একাডেমী ও আল আযহারের সাথে যোগাযোগ

১৮টি

বিভিন্ন সংস্থার সাথে সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক স্থাপনে সহায়ক

--

১০০%

 

(ধ) হজ্জযাত্রী সংগ্রহ ও তাদের প্রশিক্ষণ

৬৫৬ টি

সরকারী হজ্জনীতি বাসত্মবায়ন

--

৮০%

 

(ন) অনুবাদ সেল

২৯৯৫ টি

--

--

৯৯%

 

(প) ঈদের জামাআতের ব্যবস্থাপনাঃ জাতীয় ঈদগাহ সহ

৪৮ টি

--

--

১০০%

 

(ফ) অন্যান্য সংস্থায় ওলামা ও বিচারক প্রেরণ

৩৫

ইসলামের প্রচার ও প্রসারে বিভিন্ন দেশ ও সংস্থার সাথে সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক স্থাপনে সহায়ক

--

১০০%

 

(ব) আমত্মর্জাতিক সম্মেলন ও কর্মশালায় প্রতিনিধি প্রেরণ

২৫

--

১০০%

 

(ভ) মহিলা শাখার কার্যক্রম

২৪০ টি

মহিলাদের মধ্যে ইসলাম প্রচার ও  প্রসার

--

১০০%

 

 

 

 

 

 

 

(১)

(২)

(৩)

(৪)

ক্রঃ নং

কর্মকান্ডের বিষয়

পাঁচ বছরের অর্জন

সাফল্যের হার

পরিমাণগত

গুনগত

কাঠামোগত

১১।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন প্রেসঃ

(বিদ্যমান ছাপাখানাকে আধুনিকীকরণ প্রকল্পের আওতায় নিম্নোক্ত কাজসমূহ সম্পাদিত হয়)ঃ

 

(ক) দুই রং অফসেট মেশিন:১/১ পারফেকটিং সিস্টেম

০১ টি

ইসলামী পুস্তক ও পত্রপত্রিকা প্রকাশের মাধ্যেমে ইসলাম প্রচারে সহায়ক ভূমিক রাখা হয়।

উলেস্নখিত প্রকল্প বাসত্মবায়নের ফলে প্রেসের কাজের পরিবেশ উন্নত হয়েছে, কর্মদক্ষতা বেড়ে গেছে। মেশিন, কম্পিউটার, ক্যামেরা, পে­ট ও প্রসেস বিভাগে প্রয়োজনীয় শীতাতাপ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা করা সম্ভব হয়েছে। কর্মচারী/শ্রমিকদের কাজের উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা বৃদ্ধি পেয়েছে। ফলে ইসলামিক ফাউন্ডেশন প্রেস একটি লাভজনক প্রতিষ্ঠানে পরিনত হয়েছে।

--

১০০%

 

(খ) কম্পিউটার টু পে­ট (সিটিপি) সিস্টেম ফর ভায়লেট-সেনসেটিভ মেশিন

০১ টি

--

১০০%

 

(গ) কম্পিউটার কণ্ট্রোল্ড পেপার কাটিং মেশিন

০১ টি

--

১০০%

 

(ঘ) হাই-স্পীড ফ্লাটেবল নেটওয়ার্ক এন্ড এডিএফ স্ক্যানার

০২ টি

--

১০০%

 

(ঙ) ফোল্ডিং মেশিন

০১ টি

--

১০০%

 

(চ) এইচ পি প্রিন্টার

০২ টি

--

১০০%

 

(ছ) স্টিচিং মেশিন

০১ টি

--

১০০%

 

(জ) কম্পিউটার

০৬ টি

--

১০০%

 

(ঝ) ফয়েল প্রিণ্টিং মেশিন

০১ টি

--

১০০%

 

(ঞ) মেটাল ডিটেক্টর মেশিন

০২ টি

--

১০০%

 

(ট) সিসি ক্যামেরা

০৮ টি

--

১০০%

 

(ঠ) এয়ার কন্ডিশনার

০৫ টি

--

১০০%

 

(ড) পিকআপ ভ্যান

০১ টি

--

১০০%

 

(ঢ) ডিজিটাল ক্যামেরা

০২ টি

--

১০০%

 

(ণ) বই ছাপানো

৪৬১ টি

--

১০০%

 

(ত) আধাপাকা টিন সেড ভবন নির্মাণ (বাঁধাই কাজের জন্য)

০১টি

প্রেসের বাইন্ডিং-এর কাজ করা সহজ হয়েছে।

২৮০ বর্গমিটার

১০০%

 

পূর্ববর্তী বছরের তুলনায় ২০০৯-২০১৩ পর্যমত্ম প্রেসের আয়, উৎপাদন ক্ষমতা এবং সামগ্রিক ব্যবস্থাপনার প্রভূত উন্নয়ন সাধিত হয়েছে।

                                                            

 

(১)

(২)

(৩)

(৪)

ক্রঃ নং

কর্মকান্ডের বিষয়

পাঁচ বছরের অর্জন

সাফল্যের হার

পরিমাণগত

গুনগত

কাঠামোগত

 

১২।

ইসলামিক ফাউন্ডেশনের কার্যক্রম ডিজিটাল রূপামত্মর ও ডিজিটাল আর্কাইভ স্থাপন শীর্ষক প্রকল্পঃ প্রকল্পটি ২০১০-১১ অর্থ বছরে শুরম্ন হয় এবং ৩০ জুন ২০১৩ তারিখে সমাপ্ত হয়। প্রকল্পের আওতায় গৃহীত কার্যক্রম নিমেণ উলেস্নখ করা হলোঃ

ক)

কম্পিউটার ও আনুষঙ্গিক যন্ত্রপাতি ক্রয়

৩৫১টি

দাপ্তরিক কার্যাবলী দ্রম্নত নির্ভুলভাবে সম্পন্নকরণ ও তথ্য সংরক্ষণ সম্ভব হচ্ছে। এর কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের কাজের গুনগত মান বৃদ্ধি পেয়েছে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশনের প্রধান কার্যালয়, বিভাগীয়, জেলা ও মাঠ পর্যায়ের সকল কার্যালয়ে কম্পিউটার ও আনুষঙ্গিক সরঞ্জমাদি প্রদান করা হয়েছে।

১০০%

খ)

সফ্টওয়ার উন্নয়ন

২ টি

জনসাধারণসহ সর্বসত্মরের মানুষের ইসলামিক ফাউন্ডেশনের কার্যাবলী ও সেবা সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ করার সুবিধা সৃষ্টি হয়েছে। কারপার্কিং অটোমেশন করার ফলে পার্কিং ফির হিসাব সংরক্ষণ করা ও পার্কিং ব্যবস্থাপনা উন্নত হয়েছে।

১টি ডাটা ড্রাইভেন ডাইনামিক ওয়েবসাইট তৈরী করা হয়েছে। ইসলামিক ফাউন্ডেশনের যাবতীয় কার্যাবলীর হালনাগাদ তথ্য এই ওয়েবসাইটে পাওয়া যায়। বায়তুল মোকাররমস্থ ইসলামিক ফাউন্ডেশনের কারপার্কিং কম্পিউটার সফ্টওয়ারের মাধ্যমে অটোমেশন করা হয়েছে।

৫০%

গ)

কম্পিউটার প্রশিক্ষণ

৮৪৯ জন

কর্মকর্তা ও কর্মচারীদেরকে সফ্টওয়ার সম্পর্কে প্রশিক্ষণ প্রদান করার ফলে তাদের দাপ্তরিক কর্মদক্ষতা বৃদ্ধি পেয়েছে এবং দাপ্তরিক কাজ দ্রম্নত ও নির্ভুলভাবে সম্পন্ন হচ্ছে।

প্রধান কার্যালয়, বিভাগীয়, জেলা ও মাঠ পর্যায়ের সকল দপ্তর থেকে পর্যায়ক্রমে প্রশিক্ষণ প্রদান করা হচ্ছে।

৫০%

ঘ)

নেটওয়ার্কি

৬০টি সংযোগ

ই-মেইল তথ্য আদান-প্রদান, ওয়েবসাইটের মাধ্যমে গুরম্নত্বপূর্ণ তথ্য সংগ্রহ করা সম্ভব হচ্ছে।

প্রধান কার্যালয়ের সকল বিভাগে ব্রডব্যাড ইন্টারনেট সংযোগ প্রদান করা হয়েছে।

৩০%

ঙ)

অফিস সরঞ্জমাদি ক্রয়

৭২ টি

দাপ্তরিক কাজ দ্রম্নত সম্পন্ন করা সম্ভব হচ্ছে। সার্ভার কক্ষে রক্ষিত সরঞ্জমাদি যথাযথভাবে সংরক্ষণ করা যাচ্ছে।

ফটোকপিয়ার ও এসি সংস্থাপন করা হয়েছে।

৬০%

চ)

আসবাবপত্র ক্রয়

২৪০ টি

প্রকল্পের কর্মকর্তা/কর্মচারীদের জন্য সুষ্ঠু কাজের পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে।

কম্পিউটার স্থাপন ও প্রকল্পের কর্মকর্তা/কর্মচারীদের জন্য দাপ্তরিক সুবিধা সৃষ্টি হয়েছে।

৭০%

ছ)

গাড়ী ক্রয়

০১ টি

প্রকল্প কার্যক্রম মনিটরিং সুবিধা সৃষ্টি হয়েছে।

 

১০০%

 

 

 

ক্রঃ নং

কর্মকান্ডের বিষয়

পাঁচ বছরের অর্জন

সাফল্যের হার

 

পরিমাণগত

গুনগত

কাঠামোগত

 

১৩।

যাকাত বোর্ডঃ

 

 

১) যাকাত বোর্ড শিশু হাসপাতাল-১টির মাধ্যমে চিকিৎসা সেবা

৯৮,১১০ জন

সমাজের অসহায় দুঃস্থ, দরিদ্র শিশুদের বিনামূলে চিকিৎসা প্রদান, দরিদ্র জনগোষ্ঠিকে প্রশিক্ষণের মাধ্যমে স্বাবলম্বী করে গড়ে তোলা, দুঃস্থ ছাত্র-ছাত্রীদের আর্থিক সহায়তা প্রদান, প্রতিবন্ধীদের পূনর্বসনে সহায়তা প্রদান, নওমুসলিমদের স্বাবলম্বী করে গড়ে তোলা, বৃক্ষ রোপন ও হাস-মুরগী পালনে উদ্বুদ্ধকরণ কর্মসূচি পালনের মাধ্যমে দরিদ্র জনগোষ্টিকে সহায়তা করা।

--

১০০%^

 

 

২) সেলাই প্রশিক্ষণ কার্যক্রম- ২৩টি কেন্দ্র

৫,০৬০ জন

--

১০০%^

 

 

৩) প্রতিবন্ধী পুনর্বাসন অর্থ বিতরণ

১৮০ জন

--

১০০%^

 

 

৪) সেলাই প্রশিক্ষণ সমাপ্তকারী দুঃস্থদের মধ্যে সেলাই মেশিন প্রদান

৫৫২ জন

--

১০০%^

 

 

৫) দুঃস্থদের কর্মসংস্থান কার্যক্রম (পুরম্নষ)

৪৭০ জন

--

১০০%^

 

 

৬) নওমুসলিম স্বাবলম্বীকরণ কার্যক্রম (পুরম্নষ ও মহিলা)

১৬০ জন

--

১০০%^

 

 

৭) যাকাত ভাতা প্রদান (পুরম্নষ ও মহিলা)

৬০০ জন

--

১০০%^

 

 

৮)  শিক্ষার্থীদের বৃত্তি প্রদান

৮০০ জন

--

১০০%^

 

 

৯) দুঃস্থ ও গরীব রোগীদের চিকিৎসা সহায়তা কার্যক্রম

৫৫৫ জন

--

১০০%^

 

 

১০) প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্থদের ত্রাণ ও পুনর্বাসন   (গভীর নলকুপ ও স্যানিটেশন)

৩৫৬ জন

--

১০০%^

 

 

১১) বৃক্ষরোপন কার্যক্রম

১২৮০ জন

--

১০০%^

 

 

১২) ৩টি পার্বত্য জেলার জন্য বিভিন্ন খাতে থোক বরাদ্দ

২৪০ জন

--

১০০%^

 

 

১৩) বিভাগ/জেলার আদায়কৃত অর্থ বিতরণ

৩,৭৫৬ জন

--

১০০%^

 

১৪।

ইমাম মুয়াজ্জিন কল্যাণ ট্রাস্টঃ

 

 

 

১০০%^

 

(ক) ঋণ বিতরণ (৬৪ বিভাগ/জেলায়)

২১৭০ জন

অসহায় দুঃস্থ দরিদ্র ইমামদের সাবলম্বী করে গড়ে তুলতে সহায়তা প্রদান

--

১০০%^

 

(খ) আর্থিক সাহায্য প্রদান (৬৪ বিভাগ/জেলায়)

২১৩০ জন

--

১০০%^

 

১৫।

মসজিদ ভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা কার্যক্রম (৫ম পর্যায়) প্রকল্পঃ

 

ক)

মসজিদ ভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা কার্যক্রমের আওতায় প্রাক-প্রাথমিক শিশু শিক্ষা প্রদান

(২০০৯-২০১৩)

৩১,৮০,০০০ জন

প্রতি কেন্দ্রে ৩০ জন শিক্ষার্থীকে শিশু শিক্ষা দান

২০০৯-২০১৩ সাল পর্যমত্ম পর্যায়ক্রমে ১৯০০০, ২০০০০ , ২২০০০ ও ২৪০০০ প্রাক-প্রাথমিক শিÿা কেন্দ্রের মাধ্যমে প্রতি কেন্দ্রে ৩০ জন শিÿার্থী ভর্তি হিসেবে ২০০৯ থেকে ২০১৩ সাল পর্যমত্ম ৫ বছরে শিÿাদান ৩১৮০০০০ জন শিশুকে শিক্ষাদান অব্যাহত আছে।

১০০%

 

খ)

মসজিদ ভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা কার্যক্রমের আওতায় স্কুল পড়ুয়া ও ঝরেপড়া শিক্ষার্থীকে সহজ কুরআন শিক্ষা ও নৈতিকতা শিক্ষা প্রদান

২১,০০,০০০ জন

প্রতি কেন্দ্রে ৩৫ জন শিক্ষার্থী ভর্তি হিসেবে ধর্মীয় শিক্ষা দান

প্রতিবছর মোট ১২০০০ টি সহজ কুরআন শিক্ষা কেন্দ্রের মাধ্যমে প্রতি কেন্দ্রে ৩৫ জন শি্ÿার্থী ভর্তি হিসেবে ২০০৯-২০১৩ সাল পর্যমত্ম ৫ বছরে কুরআন শিÿা প্রদান করা হয়েছে। ২১০০০০০ জন স্কুল পড়ুয়া ও ঝরে পড়া শিÿার্থীকে পবিত্র কুরআন শিক্ষা দান অব্যাহত আছে।

১০০%

 

গ)

মসজিদ ভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা কার্যক্রমের আওতায় নিরক্ষর বয়স্ক জন গোষ্ঠীকে অক্ষর জ্ঞানদানসহ নৈতিকতা শিক্ষা প্রদান

৯৬,০০০ জন

প্রতি কেন্দ্রে ২৫ জন শিক্ষার্থীকে অক্ষর জ্ঞানদানসহ শিক্ষা প্রদান

প্রতিবছর মোট ৭৬৮ টি বয়স্ক শিক্ষা কেন্দ্রের মাধ্যমে ২৫ জন শিÿার্থী ভর্তি হিসেবে ২০০৯-২০১৩ সাল পর্যমত্ম ৫ বছরে ৯৬০০০ জন নিরÿর জনগোষ্ঠিকে অÿরজ্ঞান সম্পন্ন করে তোলা হয়েছে। অক্ষর দান অব্যাহত রয়েছে।

১০০%

 

ঘ)

মডেল রিসোর্স সেন্টার পরিচালনা

৪৮৫ টি

শিক্ষা কার্যক্রম মনিটরিং এর জন্য

 

১০০%

 

ঙ)

সাধারণ রিসোর্স সেন্টার পরিচালনা

১০৫১ টি

 

১০০%

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

                 

 

 

 

 

(১)

(২)

(৩)

(৪)

ক্রঃ নং

কর্মকান্ডের বিষয়

পাঁচ বছরের অর্জন

সাফল্যের হার

পরিমাণগত

গুনগত

কাঠামোগত

১৬।

(ক) মসজিদ পাঠাগার স্থাপন প্রকল্প (৬ষ্ঠ পর্যায়) (২০০৮-০৯ অর্থ বছর থেকে ২০১০-১১ অর্থ বছর পর্যমত্ম ৩ বছর মেয়াদী)ঃ

ক. নতুন মসজিদ পাঠাগার স্থাপন

২০০০টি

প্রত্যমত্ম অঞ্চলে দারিদ্রক্লিষ্ট মানুষের মাঝে পাঠ্যভ্যাস সৃষ্টির লক্ষ্যে নতুন পাঠাগার স্থাপন করা হয়েছে।

--

১০০%

খ. বিদ্যমান মসজিদ পাঠাগারে পুসত্মক সংযোজন

৫০০০টি

প্রত্যমত্ম অঞ্চলে দারিদ্রক্লিষ্ট মানুষের মাঝে পাঠাভ্যাস সৃষ্টির লক্ষ্যে বিদ্যমান পাঠাগারে জেলা মডেল পাঠাগারে ও উপজেলা মসজিদ পাঠাগারে পুসত্মক সংযোজন করা হয়েছে।

--

১০০%

গ. জেলা মডেল পাঠাগারে পুসত্মক সংযোজন

৬৪টি

--

১০০%

ঘ. উপজেলা মসজিদ পাঠাগারে পুসত্মক সংযোজন

৪৭৭টি

--

১০০%

ঙ. জাতীয় ধর্মীয় গুরম্নত্বপূর্ণ দিবস উদযাপন ও সামাজিক ইস্যু নির্ভর আলোচনা অনুষ্ঠান

৭১৫৫টি

সরকারের বিভিন্নমুলক কার্যক্রমের সাথে প্রত্যমত্ম অঞ্চলের সম্পৃক্ততা বৃদ্ধি পেয়েছে।

--

১০০%

 

চ. আলমারী প্রদান

২০০০ টি

প্রত্যমত্ম গ্রামাঞ্চলে স্থাপিত পাঠাগারের পুসত্মক সংরক্ষণ করা সম্ভব হয়েছে।

--

১০০%

 

ছ. সেরা পাঠকদের পুরস্কার প্রদান

৫৭৬ জন

পাঠকদের মাঝে উৎসাহ সৃষ্টি হয়েছে

--

১০০%

 

জ. সেরা লাইব্রেরীয়ানদের পুরস্কার প্রদান

৪,৮৬৯ জন

লাইব্রেরীয়ানদের উৎসাহ সৃষ্টি হয়েছে

--

১০০%

 

 

 

 

 

 

 

 

 

                

(খ)  ‘‘মসজিদ পাঠাগার সম্প্রসারণ ও শক্তিশালীকরণ’’ শীর্ষক একটি প্রকল্প জুলাই ২০১২ হতে জুন ২০১৭ সাল মেয়াদে বাসত্মবায়নের জন্য একটি নতুন প্রকল্প অনুমোদিত হয়েছে। উক্ত প্রকল্পের আওতায়  ২০১২-১৩ অর্থ বছরে প্রতিষ্ঠিত পাঠাগার ও আলমারী সরবরাহের তালিকা নিমেণ উলেস্নখ করা হলোঃ

 

ক. নতুন মসজিদ পাঠাগার স্থাপন

৫০০টি

প্রত্যমত্ম অঞ্চলে দারিদ্রক্লিষ্ট মানুষের মাঝে পাঠ্যভ্যাস সৃষ্টির লক্ষ্যে নতুন পাঠাগার স্থাপন করা হয়েছে।

প্রতিটি মসজিদ পাঠাগারে ১০ হাজার টাকা নিট মুল্যে পুসত্মক সরবরাহ করা হয়েছে।

১০০%

খ. নতুন মসজিদ পাঠাগারে আলমারী প্রদান

৫০০টি

প্রত্যমত্ম গ্রামাঞ্চলে স্থাপিত পাঠাগারের পুসত্মক সংরক্ষণ করা সম্ভব হয়েছে।

প্রতিটি মসজিদ পাঠাগারে ১০ হাজার টাকা মুল্যের আলমারী সরবরাহ করা হয়েছে।

১০০%

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

১)

(২)

(৩)

(৪)

ক্রঃ নং

কর্মকান্ডের বিষয়

পাঁচ বছরের অর্জন

সাফল্যের হার

পরিমাণগত

গুনগত

কাঠামোগত

১৭.

ইসলামিক ফাউন্ডেশনের বিভাগীয় অফিস, জেলা অফিস ও ইমাম প্রশিক্ষণ একাডেমী ভবন নির্মাণ প্রকল্পঃ

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

(ক) বিভাগীয়/ জেলা অফিস ভবন নির্মাণ-

 

 

 

 

 

(খ) ৫টি ইমাম প্রশিক্ষণ একাডেমী ভবন নির্মাণ

৯টি

 

 

 

 

 

 

৫টি

স্থায়ী অবকাঠামো নির্মিত হওয়ায় দাপ্তরিক কার্যক্রম নির্বিঘ্নে করা সম্ভব হচ্ছে।

 দাপ্তরিক কার্যক্রমে গতিশীলতা এসে&&ছ।

বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কার্যক্রম বাসত্মবায়ন সহজতর হয়েছে

 

স্থায়ী অবকাঠামো নির্মিত হওয়ায় প্রশিক্ষণ কার্যক্রম সুচারম্নরূপে সম্পন্ন করা সম্ভব হচ্ছে।

মান সম্মত প্রশিক্ষণ প্রদান করা সম্ভব হচ্ছে

 

১৩১৬২.৬৭ বঃ মিঃ

 

 

 

 

 

১১৯৮৮.৯২ বঃমিঃ

 

 

১০০%

 

 

 

 

 

 

১০০%

 

 

 

১)

(২)

(৩)

(৪)

ক্রঃ নং

কর্মকান্ডের বিষয়

পাঁচ বছরের অর্জন

সাফল্যের হার

পরিমাণগত

গুনগত

কাঠামোগত

১৮.

জঙ্গীবাদ, সন্ত্রাস প্রতিরোধ ও সামাজিক সমস্যা সমাধানে ইসলাম শীর্ষক কর্মসূচিঃ

 

ক. অডিও ভিডিও /চলচ্চিত্র নির্মাণ

১টি

ইমাম, ধর্মীয় নেতৃবৃন্দ ও সমাজের নেতৃস্থানীয় ব্যক্তিবর্গকে জঙ্গিবাদ ও সন্ত্রাস দমন এবং প্রতিরোধের কৌশল সম্পর্কে প্রশিক্ষণ প্রদান।

সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধিতে পুসিত্মকা, লিফলেট, পোষ্টার, ষ্টীকার ও সিডি প্রকাশ

--

১০০%

খ. মুদ্রণ ও বাধাঁই

২২০০০০

কপি

খুতবার পূর্বে মসজিদে মসজিদে প্রাক-খুতবা পাঠের প্রচলন করা। প্রাক- খুতবা বই প্রণয়ন ও প্রকাশ করা।

--

১০০%

গ. সেমিনার, কনফারেন্স

৯৯২ টি

 আলোচনা সভা, সেমিনার, সম্মেলন আয়োজনের মাধ্যমে অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে সচেতনাতা সৃষ্টি করা।

সামাজিক সমস্যা সমাধানে ইসলামের দিক নির্দেশনা সম্পর্কিত বিষয়ে সকলকে অবহিত করা।

--

১০০%

ঘ. অনুষ্ঠান/ উৎসবাদি

১০১৩ টি

আলোচনা সভা, সেমিনার, সম্মেলন আয়োজনের মাধ্যমে অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে সচেতনাতা সৃষ্টি করা।

সামাজিক সমস্যা সমাধানে ইসলামের দিক নির্দেশনা সম্পর্কিত বিষয়ে সকলকে অবহিত করা।

--

১০০%

 

 

 

 

১৯.       আইসিটি সেলঃ

(ক) ‘ইসলামিক ফাউন্ডেশনের কার্যক্রম ডিজিটালে রূপামত্মর ও ডিজিটাল আর্কাইভ স্থাপন’ শীর্ষক প্রকল্প ৩০ জংন ২০১৩ তারিখে সমাপ্ত হয়। উক্ত সমাপ্ত প্রকল্পের অর্জিত সাফল্য ও কার্যক্রম চলমান রাখার লÿÿ্য দÿ জনবল দ্বারা একটি আইসিটি সেল স্থাপন করা হয়েছে। কর্মকর্তা/কর্মচারীদের এবং ধর্মীয় নেতৃবৃন্দকে কম্পিউটার প্রশিÿণ প্রদানের জন্য ৩টি কম্পিউটার ল্যাব স্থাপন করা হয়েছে। ৩টি ল্যাবে মোট ১০০টি কম্পিউটার সংযোজন করা হয়েছে। প্রকল্পের আওতায় প্রতিষ্ঠিত ডিজিটাল আর্কাইভস কার্যক্রম চলমান রাখার জন্য ডিজিটাল আর্কাইভস স্টুডিও প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে।

(খ) ইসলামী দাওয়াতী কার্যক্রমকে বেগবান করার লÿÿ্য আলেম-ওলামাসহ সাধারণ জনগোষ্ঠীকে সম্পৃক্ত করার জন্য ইসলামিক ফাউন্ডেশনের প্রধান কার্যালয়সহ ৭টি বিভাগীয় কার্যালয়ে ভিডিও কনফারেন্স সিস্টেম চালু করা হয়েছে। বাংলাদেশের মসজিদ, মাজার, খানকা, হাফেজ ও ইমামদের তথ্য সমৃদ্ধ ডাটাবেইজ সফটওয়্যার তৈরী করা হয়েছে।

(গ) কম্পিউটার সফটওয়্যারের মাধ্যমে তথ্য ব্যবস্থাপনার জন্য Human Resource Management System (HRMS) , Aecounts Management System এবং মসজিদের তথ্য ব্যবস্থাপনা সফটওয়্যার তৈরী করা হয়েছে। উক্ত সফটওয়্যারের মাধ্যমে তাৎÿণিকভাবে হালনাগাদ তথ্য পাওয়ার পথ সুগম হয়েছে।

 

২০.       ইসলামিক মিশন কমপেস্নক্স নির্মাণ (ফতুলস্না, নারয়নগঞ্জ ও ঝালকাঠি) প্রকল্পের কার্যক্রমঃ

ইসলামিক মিশন কমপেস্নক্স নির্মাণ (ফতুলস্না, নারায়ণগঞ্জ ও ঝালকাঠি) প্রকল্পটির বাসত্মবায়নকাল জুলাই ২০১১ ডিসেম্বর ২০১২ খ্রিঃ পর্যমত্ম। উক্ত প্রকল্পের ডিপিপি অনুসারে প্রাক্কলিত ব্যয়ঃ মোট ১৫০০.০০ লক্ষ টাকা। প্রকল্পের উদ্দেশ্য হলো ঝালকাঠিতে ইসলামি মিশন কমপেস্নক্স ভবন নির্মাণ। কমপেস্নক্স নির্মাণের মূল উদ্দেশ্য ধর্মীয় ও সামাজিক কর্মসূচিসহ যথাযথভাবে বাসত্মবায়ন করা, প্রত্যমত্ম অঞ্চলে চিকিৎসা সেবা প্রদান এবং স্বাস্থ্য উন্নয়নে জনগণের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি করা। প্রকল্পের আওতায় ঝালকাঠিতে ১১২১.৪৩ বর্গ মিটার হাসপাতাল ভবন নির্মাণ, ৯২৯.০২ বর্গ মিটার ডাক্তার ও নার্সের ডরমিটরী ভবন নির্মাণ এবং ইসলামিক মিশন কমপে­ক্স ফতুলস্না, নারায়ণগঞ্জ-এর মাটি ভরাট, সীমানা প্রাচীর ও গার্ড শেড নির্মাণ।

২১.       বায়তুল মোকাররম মসজিদঃ

১। সরকারি উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় এবং সৌদিসরকারের অর্থায়নে ৮.৩০ একর জমির উপর প্রতিষ্ঠিত সাত তলাবিশিষ্টএ মসজিদের শোভা বর্ধন এবং উন্নয়নের কাজ সমান হয়েছে। বর্তমানে মূলমসজিদ এবং উত্তর, দক্ষিণ ও পূর্ব সাহান মিলিয়ে সর্বমোট পঁয়ত্রিশ সহস্রাধিক মুসলস্নী একত্রে নামায আদায় করতে পারেন।

২। বিগত ২৯/০১/২০০৯ তারিখে বায়তুল মোকাররম মসজিদের দক্ষিণ দিকের সাহান, সুদর্শন মিনার, নিচতলাস্থ মহিলাদের জন্য নামাযের জায়গা, বেইজমেন্ট ফ্লোর ইত্যাদি স্থাপনা গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনা কর্তৃক শুভ উদ্বোধন করা হয় এবং মুসলস্নীদের ব্যবহারের জন্যে তা উন্মুক্ত করে দেয়া হয়।

৩। বিগত ২০০৯ থেকে বায়তুল মোকাররম মসজিদে আমত্মর্জাতিক কেরাত মাহফিল আয়োজন করা হচ্ছে। পূর্বে বায়তুল মোকাররম মসজিদে তা করা হয়নি। এ বছর রমজানে শবে কদর উপলক্ষে বিশেষ কিরাত মাহফিলের আয়োজন করা হয়। যা বাংলাদেশ টেলিভিশন রাত ১০.৩০ থেকে ১১.৩০ পর্যমত্ম সরাসরি (লাইভ) সম্প্রচার করে।

৪। পবিত্র রমযানের ২০ তারিখ থেকে ২৭ তারিখ পর্যমত্ম রাত ১২.৩০ মিনিট থেকে ৩.৩০ মিনিট পর্যমত্ম বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের কিয়ামুল লাইল সালাত অনুষ্ঠিত হয়। এ নামাযে তিনজন অস্থায়ী ভিত্তিতে নিয়োজিত হাফেজ ৭ দিনে পবিত্র কুরআনের এক খতম সম্পন্ন করেন। বিগত ২০১০ খ্রিস্টাব্দ হতে খতমে কুরআনের মাধ্যমে কিয়ামুল লাইল সালাত চালু করা হয়েছে।

 

 


লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য 

১৯৭৫ সালের ২৮ মার্চ প্রণীত হয় ইসলামিক ফাউন্ডেশন অ্যাক্ট। এই অ্যাক্ট অনুযায়ী ইসলামিক ফাউন্ডেশনের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য নিম্নরূপ: 

মসজিদ ও ইসলামি কেন্দ্র, একাডেমী , ইন্স্টিটিউট ইত্যাদি প্রতিষ্ঠা, পরিচালনা ও সেগুলো রক্ষণাবেক্ষণ বা সেগুলোকে আর্থিক সাহায্য প্রদান-যাতে সেগুলোর মাধ্যমে বিভিন্ন উপায়ে ইসলামের প্রচার-প্রসার সম্ভব হয়; 

সংস্কৃতি, মনন, বিজ্ঞান ও সভ্যতার ক্ষেত্রে ইসলাম ও মুসলিম অবদান সম্পর্কে গবেষণার ব্যবস্থা; 

সর্বজনীন ভ্রাতৃত্ব, সহনশীলতা ও ন্যায় বিচার সংক্রামত্ম ইসলামের মৌলিক আদর্শের প্রচার ও প্রসারের ব্যবস্থা; 

ইসলামের ইতিহাস, দর্শন, সংস্কৃতি, আইন ও বিচার ব্যবস্থা, অর্থনীতি, রাষ্ট্রনীতি ইত্যাদি সম্পর্কে অধ্যয়ন ও গবেষণা কার্যক্রম গ্রহণ, অধ্যয়ন ও গবেষণার জন্য বৃত্তি প্রদান, গবেষণাক্ষেত্রে কৃতিত্বপূর্ণ আবদানের জন্য পুরস্কার এবং পদক প্রবর্তন ও প্রদান, এ সমসত্ম বিষয়ে আলোচনা, বক্তৃতা, বিতর্ক-সভা, সেমিনার ইত্যাদির আয়োজন, গবেষণা ও আলোচনাপ্রসূত গ্রন্থ, প্রবন্ধ ইত্যাদি প্রকাশ, অনুবাদ, সংকলন, সাময়িকী এবং পুসিত্মকা প্রকাশ ইত্যাদি; 

উপরিউক্ত কর্মসূচি সংক্রামত্ম প্রকল্প রচনা, সম্পৃক্ত প্রতিষ্ঠানসমূহকে প্রকল্প প্রণয়ন ও বাসত্মবায়নে সাহায্য-সহায়তা দান এবং ফাউন্ডেশনের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যের অনুকূল অন্য যে-কোনো কর্মসূচি গ্রহণ। 

বোর্ড অব গভর্নরস

ইসলামিক ফাউন্ডেশন সরকারের ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অধীনসত্ম একটি বিধিবদ্ধ সংস্থা। এর সর্বোচ্চ নীতি নির্ধারণী কর্তৃপক্ষ হচ্ছে বোর্ড অব গভর্নরস। ফাউন্ডেশনের কার্যক্রম বাসত্মবায়নের ক্ষেত্রে নীতি নির্ধারণ ও সার্বিক নির্দেশনা প্রদান, তত্ত্বাবধান, পর্যবেক্ষণ বোর্ড অব গভর্নরস-এর কাজ। ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত মাননীয় মন্ত্রী পদাধিকারবলে ১৪ সদস্যবিশিষ্ট এই বোর্ডের চেয়ারম্যান। উক্ত মন্ত্রণালয়ের সচিব ভাইস-চেয়ারম্যান এবং ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালক বোর্ডের সদস্য-সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। বোর্ড অব গভর্নরস-এর সদস্য হিসেবে আছেন: মাননীয় সংসদ সদস্য, প্রখ্যাত ইসলামি চিমত্মাবিদ, শিক্ষাবিদ ও সরকারের শীর্ষ প্রশাসনিক কর্মকর্তাগণ। 

সাংগঠনিক কাঠামো

ইসলামিক ফাউন্ডেশনের প্রধান কার্যালয় ঢাকায় অবস্থিত। দেশের সকল জেলা সদর ও বিভাগীয় শহরে এর শাখা কার্যালয় এবং ৭টি ইমাম প্রশিক্ষণ কেন্দ্র রয়েছে। সব মিলিয়ে ইসলামিক ফাউন্ডেশন দেশের অন্যতম প্রধান এবং ধর্মীয় সেক্টরে শীর্ষ প্রতিষ্ঠান হিসেবে সারা দেশে ব্যাপকভিত্তিক কার্যক্রম পরিচালনা করে যাচ্ছে। 

সাংগঠনিক কাঠামো অনুযায়ী ইসলামিক ফাউন্ডেশনের প্রধান নির্বাহী হচ্ছেন মহাপরিচালক। তিনি  প্রেষণে বা চুক্তিভিত্তিতে নির্দিষ্ট মেয়াদের জন্য সরকার কর্তৃক নিয়োগপ্রাপ্ত হন। ইসলামিক ফাউন্ডেশনের সর্বোচ্চ নির্বাহী হিসেবে এর সার্বিক কার্যক্রম পরিচালনাসহ বোর্ড অব গভর্নরস-এর সিদ্ধামত্মসমূহ বাসত্মবায়নের দায়িত্ব তঁার ওপর ন্যসত্ম।

ফাউন্ডেশনের সার্বিক কার্যক্রম পরিচালনা ও সুষ্ঠু বাসত্মবায়নে তঁাকে সহযোগিতার জন্য আছেন ১ জন সচিব, ১৪ জন পরিচালক, ৭ জন প্রকল্প পরিচালক ও ১ জন প্রকল্প ব্যবস্থাপক (প্রেস)। এঁরা প্রত্যেকেই স্ব স্ব বিভাগে র প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। 

জনবল: ইসলামিক ফাউন্ডেশনে রাজস্ব ও উন্নয়ন-উভয় খা তের জনবল রয়েছে। 

তহবিল: ইসলামিক ফাউন্ডেশনের তহবিলের প্রধান উৎস জি.ও.বি বা বাংলাদেশ সরকারের বরাদ্দ। রাজস্ব ও উন্নয়ন-উভয় খাতের বরাদ্দ প্রধানত সরকার থেকে আসে। এ ছাড়া রয়েছে বই বিক্রি, দোকান ভাড়া  থেকে আয় ও অন্যান্য সূত্র থেকে প্রাপ্ত আয়। 

সাংগঠনিক কাঠামো

কর্মকর্তাবৃন্দ

ছবিনামপদবিফোনমোবাইলইমেইল
মোহাম্মদ আব্দুল মালেকউপ-পরিচালক০৮৫১৫৯৬১৪০১৭১৫৪৫৫৫২৬ifbrahmanbaria@yahoo.com
আশেকুর রহমান সহকারী পরিচালক ০৮৫১৫৯৬১৪ ০১৭১২৭৬১৪৪৮ashekboss@gmail.com

কর্মচারীবৃন্দ

ছবিনামপদবি
মোঃ কামরুল হাসানফিল্ড অফিসার
মোঃ শোয়েব আলমহিসাব রক্ষক
আবু ছালেহ হানাফীমাষ্টার ট্রেইনার
মোঃ মতিন মোল্লা ফিল্ড সুপারভাজার
মোঃ জুলহাস কাজীফিল্ড সুপারভাজার
মোঃ খাইরুল ইসলামফিল্ড সুপারভাজার
মোঃ আনিসুর রহমানফিল্ড সুপারভাজার
মোঃ মাহমুদুন্নবী ফিল্ড সুপারভাজার
মোঃ আনিসুর রহমানফিল্ড সুপারভাজার
মোঃ সাইদুর রহমান ফিল্ড সুপারভাজার
মোঃ জুম্মান খান বিক্রয় সহকারী
মোঃ এমদাদ হকঅফিস সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর
মোঃ ইমরুল জামান এম এল এস এস
মোঃ নাহিদুর রহমান কর্মী (মওশিক)
মোঃ ফজলু মিয়া কাজীনৈশ প্রহরী

প্রকল্পসমূহ

গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পসমূহ

কার্যক্রম ও সার্বিক চার্টার

ইসলামিক ফাউন্ডেশন ব্রাহ্মনবাড়িয়া কর্তৃক বাস্তবায়িত কার্যক্রমের সংক্ষিপ্ত বিবরণ:

কার্যক্রমঃ

ইসলামিক ফাউন্ডেশন তার লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য অনুযায়ী বিভিন্ন কার্যক্রম গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করে আসছে। কর্মসূচীর সফল বাস্তবায়নের জন্য বিভিন্ন বিভাগ দায়িত্ব প্রাপ্ত। এসব কর্মসূচীর মধ্যে রাজস্ব ও উন্নয়ন উভয়বিধ কার্যক্রম রয়েছে। গৃহীত কার্যক্রম সমূহ ১৩ টিবিভাগ, ৬ টি বিভাগীয় ও ৬৪ টি জেলা কার্যালয়, ৭ টি ইমাম প্রশিক্ষণ একাডেমী, ৩১ টি ইসলামিক মিশন কেন্দ্র ও ৯ টি উন্নয়ন প্রকল্পের মাধ্যমে বাস্তবায়িত হচ্ছে। ইসলামিক ফাউন্ডেশন তার কার্যক্রমের মাধ্যমেই তোমধ্যে একটি বৃহৎ প্রতিষ্ঠানে পরিনত হয়েছে।ইসলামিক ফাউন্ডেশন সারা বছর ব্যাপী জনকল্যানমুলক ও সেবাধর্মী নানামুখী কর্মকান্ড বাস্তবায়নে ব্যস্ত থাকে। ইসলামিক ফাউন্ডেশন নানা কার্যক্রম ও কর্মসূচী বাস্তবায়ন করে ইতোমধ্যেই জনগনের মনে সাড়া জাগাতে সক্ষম হয়েছে।

১। জাতীয় ও ধর্মীয় দিবস পালনঃমহান বিজয় দিবস,স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস,শহীদ দিবস, মে দিবস,বাংলা নববর্ষ, হজ্জ্ব ও উমরা ,আশুরা , শবে মেরাজ, শবে বরাত,শবে কদর,শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ভিত্তিক অনুষ্ঠান,ঈদে মিলাদুন্নবী কর্মসূচী উদযাপন, রমযানের কর্মসূচী পালন, তাফসীর মাহফিল, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ভিত্তিক জাতীয় শিশু কিশোর সাংস্কৃতিক ও হিফজ প্রতিযোগিতা পরিচালনা,যুব ও মহিলা অনুষ্ঠান বাস্তবায়ন,বুক ক্লাব প্রতিষ্ঠা,শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ভিত্তিক দেয়াল পত্রিকা প্রকাশ,জাতীয় শোক দিবস ,জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্ম দিবস পালন (শিশু দিবস) ইসলামী সাংস্কৃতিক কার্যক্রম বাস্তবায়ন এবং সরকার কর্তৃক দেয় যে কোন দায়িত্ব তাৎক্ষনিক ভাবে বাস্তবায়ন করা অন্যতম।

২।মসজিদ ভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা কার্যক্রমঃ

এ প্রকল্পটি ফাউন্ডেশনের একটি বৃহৎ প্রকল্প এবং শিক্ষা সম্প্রসারনে এ প্রকল্পটির ব্যাপক জনচাহিদা রয়েছে। মসজিদকে সমাজ বিনির্মানের প্রাথমিক ও কার্যকরী ইউনিট হিসাবে সত্যিকার ভাবে প্রতিষ্ঠিত এবং মসজিদের ইমাম সাহেবদের সেই মহতী বির্নিমানের গর্বিত অংশীদার হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার লক্ষ্যে সরকার ১৯৯৩ সালে শিক্ষাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে মসজিদ ভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা প্রকল্পের কার্যক্রম শুরু হয়। কার্যক্রমের ব্যাপক সাফল্যের প্রেক্ষিতে মসজিদ ভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা কার্যক্রম প্রকল্পের ধারাবাহিকতায় অত্র জেলার ৯টি উপজেলায় কার্যক্রম যথারীত চালু রয়েছে। অত্র জেলায় ৪৫৯টি প্রাক-প্রাথমিক, ১২টি বয়স্কশিক্ষা, ২৪৫টি মসজিদে পবিত্র কুরআন শিক্ষাকেন্দ্র এবং ৮  টি মডেল রিসোর্স সেন্টার কাম উপজেলা সাব অফিস ও ১৭টি সাধারন রিসোর্স সেন্টার চালু রয়েছে। এ প্রকল্পে ৭১৬জন শিক্ষক কর্মরত রয়েছেন। শিক্ষা কেন্দ্রে শিক্ষার্থী উপস্থিতি ও অগ্রগতি সন্তোষ জনক। শিক্ষা কার্যক্রম শুরু থেকে ২০১২শিক্ষাবর্ষ পর্যন্ত এ জেলায় প্রায় ১২০০০০  জন শিক্ষার্থীকে শিক্ষাদান করা হয়েছে। শিক্ষা সমাপনী শিক্ষার্থীগণ আনুষ্ঠানিক শিক্ষা কার্যক্রমে ভর্তি হয়েছে এবং ভর্তির হার প্রায় ৯২% । একার্যক্রমচালুরফলেপ্রাথমিকবিদ্যালয়েভর্তিরহারবৃদ্ধিপেয়েছেএবংমানসম্মতওগুনগতশিক্ষানিশ্চিতহচ্ছে চলতি ২০১২ শিক্ষাবর্ষে ৪৫৯  টি প্রাক-প্রাথমিক ও ১২ টি বয়স্ক কেন্দ্রে ১৩৭৭০ ও ৩৬০জন এবং ২৪৫  টি কুরআন শিক্ষা কেন্দ্রে ৮৫৭৫জন মোট ২২৭০৫জন শিক্ষার্থী পাঠরত আছে। শিক্ষার্থীগন প্রকল্প থেকে শিক্ষা উপকরণ ও সহায়ক উপকরণ (বইপুস্তক, চক, শ্লেট, ব্ল্যাকবোর্ড, সাইনবোর্ড, বসার মাদুর, ডাস্টার ইত্যাদি) বিনামূল্যে পেয়ে থাকে । শিক্ষকগন মাসিক নির্ধারিত২০০০/- সাধারন কেয়ারটেকারগণ ২২০০/-  ও মডেল কেয়ারটেকারগন ৩০০০/- টাকা সম্মানী ভাতা পেয়ে থাকেন। এ প্রকল্পটি ইতোমধ্যেই সারা দেশে ব্যাপক চাহিদা সৃষ্টি করেছে। একই সাথে ধর্মীয় নেতৃবৃন্দ এবং বেকারদের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। এ প্রকল্পের আওতায় উপজেলা পর্যায়ে সাব অফিস প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। এ প্রকল্প বাস্তবায়নে ৭৪৯ জন শিক্ষক, কেয়ার টেকার এবং ৩ জন কর্মকর্তা-কর্মচারী কর্মরত রয়েছেন। কার্যক্রম নিবিড় পরিদর্শনের জন্য ফিল্ড অফিসার, ফিল্ড সুপারভাইজার ও কেয়ারটেকারগণ নিয়োজিত রয়েছেন।কার্যক্রম সুষ্ঠভাবে পরিচালনার লক্ষে উপজেলা এবং জেলা পর্যায়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার এবং জেলা প্রশাসককে প্রধান করে উপজেলা এবং জেলা পর্যায়ে মনিটরিং কমিটি রয়েছে।

মসজিদ ভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা প্রকল্পের উপজেলা ভিত্তিক রিসোর্স সেন্টার, কেন্দ্র, শিক্ষক ও শিক্ষার্থীর হিসাব নিম্নরূপ :

সদর উপজেলা

মডেল

রিসোর্স সেন্টার

সাধারণ

রিসোর্স সেন্টার

মোট

কেন্দ্র সংখ্যা

প্রাক-প্রাথমিক

কুরআন

শিক্ষা

বয়স্ক

শিক্ষা

শিক্ষকের সংখ্যা

শিক্ষার্থী সংখ্যা

১০৮

৬২

৪২

১০৮

৩৩৩০

 

আশুগঞ্জ  উপজেলা

মডেল

রিসোর্স সেন্টার

সাধারণ

রিসোর্স সেন্টার

মোট

কেন্দ্র সংখ্যা

প্রাক-প্রাথমিক

কুরআন

শিক্ষা

বয়স্ক

শিক্ষা

শিক্ষকের সংখ্যা

শিক্ষার্থী সংখ্যা

১২৪

৮১

৪১

১২৪

 ৩৮৬৫

 

বিজয়নগর উপজেলা

মডেল

রিসোর্স সেন্টার

সাধারণ

রিসোর্স সেন্টার

মোট

কেন্দ্র সংখ্যা

প্রাক-প্রাথমিক

কুরআন

শিক্ষা

বয়স্ক

শিক্ষা

শিক্ষকের সংখ্যা

শিক্ষার্থী সংখ্যা

 

৫০

৩৮

১২

 

৫০

১৫৬০

 

সরাইল উপজেলা

মডেল

রিসোর্স সেন্টার

সাধারণ

রিসোর্স সেন্টার

মোট

কেন্দ্র সংখ্যা

প্রাক-প্রাথমিক

কুরআন

শিক্ষা

বয়স্ক

শিক্ষা

শিক্ষকের সংখ্যা

শিক্ষার্থী সংখ্যা

৮০

৫৯

২০

৮০

২৪৭০

 

নাছিরনগর উপজেলা

মডেল

রিসোর্স সেন্টার

সাধারণ

রিসোর্স সেন্টার

মোট

কেন্দ্র সংখ্যা

প্রাক-প্রাথমিক

কুরআন

শিক্ষা

বয়স্ক

শিক্ষা

শিক্ষকের সংখ্যা

শিক্ষার্থী সংখ্যা

৬১

৩৬

২৪

৬১

১৯২০

 

কসবা উপজেলা

মডেল

রিসোর্স সেন্টার

সাধারণ

রিসোর্স সেন্টার

মোট

কেন্দ্র সংখ্যা

প্রাক-প্রাথমিক

কুরআন

শিক্ষা

বয়স্ক

শিক্ষা

শিক্ষকের সংখ্যা

শিক্ষার্থী সংখ্যা

৮৪

৬০

২৩

৮৪

২৬০৫

 

আখাউড়া উপজেলা

মডেল

রিসোর্স সেন্টার

সাধারণ

রিসোর্স সেন্টার

মোট

কেন্দ্র সংখ্যা

প্রাক-প্রাথমিক

কুরআন

শিক্ষা

বয়স্ক

শিক্ষা

শিক্ষকের সংখ্যা

শিক্ষার্থী সংখ্যা

৩  

৬১

৪৪

১৬

৬১

১৮৮০

 

বাঞ্চারামপুর উপজেলা

মডেল

রিসোর্স সেন্টার

সাধারণ

রিসোর্স সেন্টার

মোট

কেন্দ্র সংখ্যা

প্রাক-প্রাথমিক

কুরআন

শিক্ষা

বয়স্ক

শিক্ষা

শিক্ষকের সংখ্যা

শিক্ষার্থী সংখ্যা

৬০

৩৯

২০

৬০

১৮৭০

 

 

মডেল

রিসোর্স সেন্টার

সাধারণ

রিসোর্স সেন্টার

মোট

কেন্দ্র সংখ্যা

প্রাক-প্রাথমিক

কুরআন

শিক্ষা

বয়স্ক

শিক্ষা

শিক্ষকের সংখ্যা

শিক্ষার্থী সংখ্যা

৬৮

৪০

২৭

৬৮

২১৯৫

 

 

প্রকল্প মেয়াদে মোট উত্তীর্ণ শিক্ষার্থী :

সদর

বিজয়নগর

সরাইল

আশুগ ঞ্জ

কসবা

আখাউড়া

নাছিরনগর

নবীনগর

বাঞ্চারামপুর

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

৩। মসজিদ পাঠাগার স্থাপন প্রকল্পঃমসজিদে নববীর আলোকে বাংলাদেশের মসজিদ সমূহকে গড়ে তোলার লক্ষে এবং মসজিদগুলোকে ইসলামিক জ্ঞান চর্চার ও প্রচারের কেন্দ্র বিন্দু হিসেবে প্রতিষ্ঠা করার উদ্দেশ্যে ১৯৭৯-৮০ অর্থ বছর থেকে প্রকল্পের মাধ্যমে প্রতিবছর জেলার বিভিন্ন মসজিদে লক্ষ টাকার বই ও আসবাবপত্র বিনা মূল্যে পুসত্মক ও আলমিরা সরবরাহ করা হয়ে থাকে। এ পর্যমত্ম প্রায় ৭৫০টি মসজিদে বিনামূল্যে বই বিতরণ করা হয়েছে। ২০০৮-০৯ অর্থ বছরে এ জেলায় ৯৭টি মসজিদ পাঠাগারে প্রায় ১০,০০,০০০/-টাকার পুসত্মক বিনা মূল্যে সরবরাহ করা হয়েছে এবং ৪০টি মসজিদে ২,৬৮,৫০০/-টাকার আলমিরা বিনামূল্যে সরবরাহ করা হয়েছে। এ সকল পাঠাগার স্থাপনের ফলে জেলায় হাজার হাজার পাঠক সৃষ্টি হয়েছে ও সৎ মানুষ তৈরী হচ্ছে এবং নৈতিক শিক্ষার উন্নয়ন ঘটেছে। জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে মসজিদ ব্যবস্থাপনা কমিটি রয়েছে। উপজেলা পর্যায়ে কর্মরত লাইব্রেরীয়ানগণ উপজেলায় স্থাপিত মসজিদ পাঠাগার সমূহ নিবিড় ভাবে পরিদর্শন করে থাকেন। জেলার যে কোন মসজিদ কর্তৃপক্ষ আগ্রহী হলে বিনামূল্যে নির্ধারিত ফরম পুরণপূর্বক অত্র কার্যালয় থেকে পুস্তক সংগ্রহ করতে পারেন।

উপজেলাওয়ারী পাঠাগার

বিবরণ

সাধারণ পাঠাগার

উপজলা পাঠাগার

সদর

১৩৮ টি

১ টি

বিজয় নগর

৪১ টি

১ টি

আশুগঞ্জ

৩৫ টি

১ টি

কসবা

৮০ টি

১ টি

আখাউড়া

৪৫ টি

১ টি

নাছির নগর

৩১ টি

১ টি

সরাইল

৪৩ টি

১ টি

নবীনগর

৭৩ টি

১ টি

বাঞ্ছারামপুর

৩০ টি

১ টি

মোট পঠাগার 

৫১৬ টি

৮ টি

     
 

৪। ইমাম প্রশিক্ষণ একাডেমী কার্যক্রমঃ ১৯৭৯ সালে ইমাম প্রশিক্ষণ একাডেমী প্রতিষ্ঠিত হয়। ইমাম প্রশিক্ষণ একাডেমী কেন্দ্রের মাধ্যমে ইমামদেরকে ইসলামিয়াত, গণশিক্ষা, পরিবার কল্যান, প্রাথমিক স্বাস্থ্য পরিচর্যা ও প্রাথমিক চিকিৎসা, কৃষি ও বনায়ন, পশু-পাখি পালন ও মৎস্য চাষ বিষয়ে ৪৫দিন ব্যাপী প্রশিক্ষনপ্রদান করা হয়ে থাকে। ৭টি প্রশিক্ষণ একাডেমীর মাধ্যমে এ পর্যন্ত প্রায় ৬৬,০০০জন ইমামকে প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়েছে। ব্রাহ্মাণবাড়িয়া জেলায় প্রশিক্ষন প্রাপ্ত ইমামের সংখ্যা ১,০০০ জন । প্রশিক্ষনের আলোকে ইমামগণ আর্থসামাজিক উন্নয়নমুলক কর্মকান্ডে সম্পৃক্ত রয়েছে। এ কার্যক্রম রম্নটিন কাজ হিসাবে অব্যহত আছে । এ ছাড়া ডেইরী ফার্ম,মৎস্য খামার,কৃষি ও বনায়ন,পরিবেশ দূষণ,সন্ত্রাস, জঙ্গীবাদের প্রতিরোধ, দূর্নীতিমুক্ত সমাজ গঠন,যৌতুকবাল্যবিবাহ,নারী ও শিশু নির্যাতন ও পাচার প্রতিরোধ,নারী অধিকার সংরক্ষন ইত্যাদি কাজে অবদান রাখতে সক্ষম হয়েছেন।

৫। হজ্জ ব্যবস্থাপনাঃসরকারি ব্যবস্থাপনায় হজ্জে গমনেচ্ছুকদের জন্য হজ্জ প্যাকেজ ঘোষনার প্রেক্ষিতে অত্র কার্যালয়ের পক্ষ থেকে সরকারি ব্যবস্থাপনায় হাজী সংখ্যা বৃদ্ধির বিষয়ে সর্বাত্মক উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়। সুষ্ঠু ও সুন্দরভাবে হজ্জ সম্পাদনের স্বার্থে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় কর্তৃক প্রেরিত আবেদন ফরম ও নিয়মাবলী সম্ভাব্য হজ্জযাত্রীদের মধ্যে বিতরণ করা হয়। সম্ভাব্য হজ্জযাত্রীদের মধ্যে সরকারী সুযোগ সুবিধাদি জেলা এবং উপজেলা পর্যায়ে উদ্বুদ্ধ করণ সমাবেশের মাধমে অবহিত করা হয়। এ ছাড়া হজ্জ যাত্রীদের যাবতীয় সেবা প্রদান, হজ্জ সংক্রমত্ম তথ্যাদি অবগত করন এবং হজ্জ যাত্রীদের প্রশিক্ষণ প্রদানসহ অন্যান্য কার্যক্রম এ কার্যালয়ের মাধ্যমে বাসত্মবায়িত হয়ে থাকে।

৬। মানব সম্পদ উন্নয়নে ধর্মীয় নেতাদের সম্পৃক্ত করণ প্রকল্পঃধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আওতায় এবং টঘঋচঅ এর অর্থায়নে পরিচালিত ইসলামিক ফাউন্ডেশন এর মাধ্যমে বাসত্মবায়নাধীন মানব সম্পদ উন্নয়ন প্রকল্পের মাধ্যমে প্রজনন স্বাস্থ্য, জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ,নিরাপদ মাতৃত্ব, আদর্শ পরিবার গঠন, পরিবার কল্যান,মাদকমুক্ত সমাজ গঠন,পরিবেশ দুষন,যৌতুক ও বাল্য বিবাহ নিরম্নৎসাহিত করন, স্যানিটেশন, জনসংখ্যার বিস্ফোরন রোধ,নারী অধিকার সংরক্ষন,এইচ, আই,ভি,এইডস, ইভটিজিং ইত্যাদি বিষয়ে বিভিন্ন পেশাজীবি,ধর্মীয় নেতৃবৃন্দ, কাজী এবং মহিলাদের তিন-চার দিন ব্যাপী প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হয়ে থাকে। এ প্রকল্প বাসত্মবায়নে জনসংখ্যা বৃদ্ধি হার রোধ, নিরাপদ মাতৃত্ব, আদর্শ পরিবার গঠনে,ধর্মীয় নেতৃবৃন্দের মধ্যে স্বাস্থ্য সচেতনতাবোধ জাগ্রত হচ্ছে এবং পরিকল্পিত পরিবার গঠনে তারা উৎসাহিত হচ্ছেন এবং অন্যদেরকে এ বিষয়ে উদ্বুদ্ধ করছেন।

৭। ইমাম মুয়াজ্জিন কল্যান ট্রাষ্টঃসরকার বাংলাদেশের সকল মসজিদের ইমাম ও মুয়াজ্জিনদের কল্যানার্থে মাননীয় প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকার ইমাম-মুয়াজ্জিন কল্যান ট্রাষ্ট আইন ২০০১ পাস করেছে। উক্ত ট্রাষ্টের আওতায় কুমিলস্না জেলার ইমাম ও মুয়াজ্জিনদেরকে ট্রাষ্টের আওতাভুক্তির লক্ষে জেলায় ইমাম ও মুয়াজ্জিন কল্যান ট্রাষ্ট এর সদস্যভুক্তি কার্যক্রমসহ অন্যান্য কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। মাসিক চাঁদা ১০/- টাকা প্রদান করে এ পর্যমত্ম জেলার প্রায় ১৫০০জন ইমাম ও মুয়াজ্জিন ট্রাষ্টের সদস্যভুক্ত হয়েছেন। জেলার সম্মানিত সকল ইমাম- মুয়াজ্জিনগণকে ইসলামিক ফাউন্ডেশন কুমিলস্না জেলা কার্যালয়ে অথবা উপজেলা পর্যায়ের মসজিদভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা কার্যক্রম প্রকল্পে নিয়োজিত ফিল্ড সুপারভাইজাদের সাথে অতিসত্বর যোগাযোগ করে মাসিক চাঁদা পরিশোধ পূর্বক সদস্য হওয়ার জন্য অনুরোধ করা হলো। জেলার ০৫ জন ইমামকে সুদবিহীন ৫৬,০০০/- টাকা ঋণ হিসেবে এবং ০৫ জন ইমামকে সাহায্য বাবদ ৩৮,০০০/- টাকা প্রদান করা হয়েছে। মানুষের কল্যানে এ ট্রাস্ট কার্যকর ভুমিকা পালন করে যাচ্ছে। চলতি ২০১১-১২অর্থবছরে ট্রাষ্টের সদস্যগণকে আর্থিক সাহায্য ও সুদবিহীন ঋণ প্রদান করা হবে। দুঃস্থ,অসহায়,অসুস্থ সদস্যগণকে আর্থিক সাহায্য প্রদান করা হবে। এমতাবস্থায় নির্ধারিত ফরমে আবেদন করার জন্য অনুরোধ করা হলো।

৮। ইসলামিক মিশন কার্যক্রমঃইসলামিক ফাউন্ডেশনের একটি ব্যতিক্রমধর্মী চিকিৎসা ভিত্তিক কর্মসূচী হলো মিশন কার্যক্রম । ইসলামিক মিশনের মাধ্যমে বিনামূল্যে ঔষধসহ চিকিৎসা সেবাদান, সেলাই প্রশিক্ষণ, গণশিক্ষা ও ক্ষুদ্র ঋণ কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।

৯। প্রকাশনা কার্যক্রমঃ ইসলামিক ফাউন্ডেশন ইসলামী সাহিত্য ও আল কুরআনুল করীম মা‘আরেফুল কুরান,হাদীস গ্রন্থসহ অসংখ্য বই প্রকাশ করে এক বিরল দৃষ্টামত্ম স্থাপন করেছে। ইসলামের মৌলিক বিষয়াবলী , ইসলামের ইতিহাস, ইসলামী আইন,তাফসির, দর্শন,মনীষীদের জীবনী, ইসলামী অর্থনীতি, নারী অধিকার,দৈনন্দিন জীবনে ইসলাম,ইসলামী বিশ্বকোষ, ফাতাওয়া ও মাসায়েল শীর্ষক গ্রন্থ এবং বিভিন্ন হাদীসগ্রন্থ প্রকাশনাসহ ইসলামিক ফাউন্ডেশন হতে এ পর্যমত্ম প্রায় ৩,৬০০ শিরোনামের প্রায় ১ কোটি ৩৫ লক্ষের উপরে বই প্রকাশিত হয়েছে। লক্ষ মাত্রার আলোকে বই বিক্রয়ের কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহন করতে হয়। এ সকল বই জেলা কার্যালয়ের মাধ্যমে বিক্রয় ও বিপনন হয়ে থাকে। ইসলামিক ফাউন্ডেশন প্রকাশিত পুসত্মক ক্রয়ে কোন টেন্ডার বা দরপত্রের প্রয়োজন হয় না।প্রতিটি অনুষ্ঠানে আপনার প্রিয়জনকে ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে ইসলামিক ফাউন্ডেশন প্রকাশিত বই সহজ মূল্যে ক্রয় করে বিতরণ/প্রদানের জন্য অনুরোধ করা হলো। প্রকাশিত বই অত্র কার্যালয়ের বিক্রয় শাখা থেকে সহজ মূল্যে ক্রয়ের জন্য জেলাবাসীর সহযোগীতা কামনা করা হলো।

১০। যাকাত বোর্ড কর্মসূচীঃসরকার দেশের দুঃস্থ ও অসহায়দের কল্যানার্থে ১৯৮২ সালে যাকাত বোর্ড গঠন করেন। যাকাত বোর্ডের আওতায় যাকাত আদায়ের কর্মসূচী পালন করা হয়ে থাকে। ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে নিয়োজিত ধর্মমন্ত্রীর সভাপতিত্বে দেশের খ্যাতমান আলেম ওলামাদের সমন্বয়ে যাকাত বোর্ড গঠিত। ইসলামের বিধান অনুযায়ীযাকাতের ৮টি খাতে অর্থ ব্যয় হয়ে থাকে। দুঃস্থ ও অসহায়দের কল্যানে গুরম্নত্বপূর্ন ভূমিকা পালন করে যাচ্ছে। যাকাত ফান্ডের অর্থে সেলাই মেশিন, শিক্ষা উপকরণ, উপবৃত্তি প্রদান, রিক্সা/ভ্যান, হাঁস মুরগী/গরু ছাগল, গৃহ নির্মাণ এবং ক্ষুদ্র ব্যবসায়ে অসহায় দুঃস্থদের পুনর্বাসনে সহায়তা প্রদান করা হয়ে থাকে। জেলা প্রশাসক ও জেলা যাকাত কমিটির সভাপতির মাধ্যমে যাকাত কার্যক্রম বাসত্মবায়ন করা হয়ে থাকে। দুঃস্থ অসহায়গণ নির্ধারিত ফরম ইসলামিক ফাউন্ডেশন থেকে সংগ্রহ পূর্বক উপজেলা নির্বাহী অফিসারের মাধ্যমে আবেদন করলে সাহায্য পাওয়া যাবে।২০১১-১২ অর্থ বছরে ১০২৩০০ ও ২০১২-১৩ অর্থ বছরে এ জেলায় ৭৭৮০০ টাকা যাকাত হিসেবে সংগৃহীত  হয়েছে।

১১। জেলা চাঁদ দেখা কমিটির সভাঃ চন্দ্র মাসের সঠিক হিসাব নিরম্নপন এবং ধমীয় দিবস ও সরকারী ছুটিসমূহ সঠিক ভাবে নির্ধারণের জন্য চাঁদ দেখা কমিটির মিটিং গুরম্নত্বপূর্ণ। জেলা প্রশাসক এ কমিটির সভাপতি। জেলা চাঁদ দেখা কমিটির মাধ্যমে প্রতিমাসে সভা যথারিতি বাসত্মবায়িত হয়ে আসছে। চান্দ্র মাসের সঠিক হিসাব-নিকাশে এ সভার ভূমিকা গুরম্নত্বপূর্ণ।

১২। ইসলামিক ফাউন্ডেশন লাইব্রেরীঃ ইসলামিক ফাউন্ডেশন প্রতিষ্ঠা লগ্ন থেকে ইসলামের বিভিন্ন বিষয়ের উপর গবেষণাসহ সর্বসত্মরের জনগনের মধ্যে ইসলামী জ্ঞান বিকাশের সুযোগ সুবিধা সৃষ্টির লক্ষে জেলা পর্যায়ে লাইব্রেরী কার্যক্রম চালু রয়েছে। জেলা পাঠাগারে গবেষনা ধর্মী ইসলামীজ্ঞান বিকাশে বহু বিরল বই রয়েছে। এ পাঠাগার ১৯৮০-৮১ অর্থ বছর হতে পাঠাগার কার্যক্রম শুরম্ন হয়েছে। জ্ঞান পিপাসু পাঠকদের জন্য এ পাঠাগারটি ইতোমধ্যেই সর্বমহলে প্রশংসিত হয়েছে। সুতরাং জনচাহিদার প্রেক্ষিতে লাইব্রেরী কক্ষ বড় করা জরুরী। সর্বমহলে এ পাঠাগারের কার্যক্রম সমাদৃত হচ্ছে। বঙ্গবন্ধুর প্রতিষ্ঠিত ইসলামিক ফাউন্ডেশন সরকারী অর্থে পরিচালিত মুসলিম বিশ্বের অন্যতম একটি বৃহৎ সংস্থা হিসাবে ইতোমধ্যে নন্দিত হয়েছে। জ্ঞান পিপাসু ও গবেষক এবং আগ্রহী পাঠকগণ এ পাঠাগারে এসে জ্ঞান অর্জন ও গবেষণা কার্য সম্পাদণ করতে পারেন।

১৩। নিজস্ব ভবন নির্মাণ প্রকল্পঃ ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে ইতোমধ্যে জেলা ও বিভাগীয় পর্যায়ে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের জন্য স্থায়ী অফিস ভবন নির্মাণ প্রকল্প গ্রহন করেছেন। ইসলামিক ফাউন্ডেশনের কার্যক্রম আজ দেশব্যাপী তৃণমূল পর্যন্ত বিস্তৃত। ইসলামিক ফাউন্ডেশন মানুষের কল্যানে কাজ করে থাকে। যার জন্য ইসলামিক ফাউন্ডেশনের কার্যক্রমের প্রশংসা আজমানুষের মুখে মুখে। ইসলামিক ফাউন্ডেশন ব্রাহ্মানবাড়িয়া অফিসের কার্যক্রম একটি ভাড়া বাড়ীতে পরিচালিত হয়ে আসছে। এটি অতি পুরাতন এবং প্রয়োজনের তুলনায় অফিস স্পেসের পরিমান খুবই নগন্য। বর্তমানে এ অফিসে উপ-পরিচালক,সহকারী পরিচালক,হিসাবক, এল ডি এ ,এম এল এস এস,ফিল্ড অফিসার, ফিল্ড সুপারভাইজার ৮ জন , মাষ্টার ট্রেইনার ,সাধারন ও মডেল কেয়ারটেকারসহ মোট জনবল প্রায় ৪২ জন এবং ৯ টি উপজেলায় শিক্ষক রয়েছে ৭১৬জন। উপজেলা পর্যায়ে অফিস স্থাপিত হলে জনবল আরো বৃদ্ধি হবে ইনশাআলস্নাহ। অত্র কার্যালয়ের স্বাভাবিক কার্যক্রম পরিচালনার জন্য যে ধরনের বাড়ী প্রয়োজন তা পাওয়া দুস্কর। অন্য দিকে বাড়ী ভাড়ার বিষয়টিও জড়িত। বাড়ী ভাড়া খাতে প্রতিবছর অনেক টাকা পরিশোধ করতে হচ্ছে। অথচ দাপ্তরিক কার্যক্রম পরিচালনা করতেও অসুবিধার সম্মুখীন হতে হচ্ছে। অফিসের সাভাবিক কার্যক্রম পরিচালনার জন্য উপযুক্ত পরিবেশ,প্রয়োজনীয় স্পেস, মিলনায়তন, লাইব্রেরী কক্ষ, বিক্রয় কেন্দ্র,কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বসার ব্যবস্থা ও গোডাউন কক্ষ সহ প্রায় ৬ হাজার বর্গফুট বিশিষ্ট একটি সুবিশাল বাড়ি প্রয়োজন। ব্রাহ্মানবাড়িয়ার মত গুরম্নত্বপূর্ণ শহরে এ ধরনের বাড়ী ভাড়া পাওয়া কষ্টসাধ্য এবং বাড়ীর ভাড়া পরিশোধে অর্থ বরাদ্দের বিষয়টিও গ্ররম্নত্বপূর্ণ। অথচ ব্রাহ্মানবাড়িয়ার জেলা কার্যালয়ের নামে শহরের প্রাণ কেন্দ্র কুমার শীলের মোড়ে ১৪ শতক জায়গা রয়েছে। ফলে ইসলামের বৃহত্তর স্বার্থে এবং বঙ্গবন্ধুর গড়া এবং তাঁরই যোগ্য উত্তরসূরি দেশরত্ন মাননীয় প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রিয় প্রতিষ্ঠান ইসলামিক ফাউন্ডেশন এর ব্রাহ্মানবাড়িয়াস্থ জেলা কার্যালয়ের তার নিজস্ব জায়গায় একটি প্রশাসনিক ভবন নির্মাণের দাবী জানাচ্ছি।

১৪। মাননীয় প্রধান মন্ত্রীর আহবানঃ মাননীয় প্রধান মন্ত্রীর আহবানে সাড়া দিয়ে ডিজিটাল বাংলাদেশ গঠন, দিন বদলের সনদ বাসত্মাবায়ন এবং ভিশন ২০২১বাসত্মবায়নে কার্যালয়ের পক্ষ থেকে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহন করা হয়েছে। এছাড়া পরিবেশের ভারসাম্য, সন্ত্রাস/জঙ্গীবাদের প্রতিরোধ, দুর্নীতি প্রতিরোধ ও মাদকমুক্ত সমাজ গঠনের প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা এবং বৃক্ষ সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার প্রয়াসে মসজিদের ইমাম ও ধর্মীয় নেতৃবৃন্দ, মসজিদ ভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা কার্যক্রম প্রকল্পে নিয়োজিত শিক্ষক ও কেয়ারটেকার, শিক্ষার্থী ,অভিভাবক, কার্যালয়ের কর্মকর্তা, কর্মচারীদের প্রত্যক্ষ সহযাগীতায় বিভিন্ন জাতের চারা রোপন ও পরিচর্যার ব্যবস্থা করা হয়েছে।

দ্বিতীয়তঃ সর্বক্ষেত্রে দুর্নীতি প্রতিরোধ, ন্যায় ও ইনসাফ ভিত্তিক সমাজ বিনির্মান সৎ , দক্ষ ও যোগ্য নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠা, সন্ত্রাস ও জংগীবাদ প্রতিরোধ বিষয়ে জনগনের মধ্যে  ব্যাপক সচেতনতা সৃস্টি করা হচ্ছে। গত ২০/০১/২০১০ তারিখে বঙ্গবন্ধু আন্তরর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত জাতীয় ইমাম সম্মেলনে মাননীয় প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনা ইসলামিক ফাউন্ডেশন এর জন্য উপজেলা পর্যায়ে উপজেলা অফিস স্থাপনএবং ধর্মীয় শিক্ষায় শিক্ষক দের জন্য প্রায় ১ লক্ষ লোকের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টির ঘোষনা দিয়েছেন এবং এজন্য ইতোমধ্যে প্রকল্প প্রসত্মাবনা পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ে অনুমোদনের অপেক্ষায় আছে। এ প্রকল্পটি একনেক কর্তৃক পাশ হলে প্রায় ১ লক্ষলোকের চাকুরীর সুযোগ সৃষ্টি হবে । আমরা মাননীয় প্রধান মন্ত্রীর বলিষ্ট ভুমিকার প্রশংসা করি।

১৫। মসজিদ জরিপঃ জেলার প্রকৃত মসজিদ কত ? এর সঠিক পরিসংখ্যান জানা একামত্ম আবশ্যক। এরই প্রেক্ষিতে ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আহবানে সাড়া দিয়ে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে সম্পুর্ণ সেচ্ছা শ্রমে কার্যালয়ের কর্মকর্তা কর্মচারীদের তত্বাবধানে মসজিদভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষকার্যক্রমে নিয়োজিত ফিল্ড সুপারভাইজার,কেয়ারটেকার,শিক্ষক, মসজিদ পাঠাগার লাইব্রেরীয়ান এবং ধর্মীয় নেত্রীবৃন্দের সহযোগিতায় কোনরম্নপ অর্থ ব্যয় ছাড়া ব্রাহ্মানবাড়িয়া জেলার মসজিদ জরিপ কার্য সফল ও স্বার্থক ভাবে সম্পন্ন করা হয়েছে। এ জেলায় মসজিদের সংখ্যা ৪৩৭০ টি।

১৬। জঙ্গিবাদ ও সন্ত্রাস বাদ প্রতিরোধ প্রকল্পঃ জঙ্গিবাদ ও সন্ত্রাস বাদ দমনে একটি প্রকল্প গ্রহন করা হয়েছে । উক্ত প্রকল্পের আওতায় প্রতিটি মসজিদে জুমার খুদবার আগে এলাকাবাসী / মুসল্লিদের সচেতন করার জন্য ইমামদের দ্বায়িত্ব প্রদান করা হয় । ইমামদের এই বিষয়ে প্রশিক্ষন প্রদান করা হয় । উক্ত কাজের প্রতিবেদন প্রতি মাসে ইসলামিক ফাউন্ডেশন প্রধান কার্যলয়ে , জেলা প্রশাসক মহোদয় ও গোয়েন্দা সংস্থাকে প্রদান করা হয় ।

১৭ অন্যান্য কার্যক্রমঃ যৌতুক ও মাদকের কুফল,বাল্যবিবাহ নিরম্নৎসাহিত করণ, ছবিযুক্ত ভোটার তালিকা প্রনয়ন ও দুর্নীতি মুক্ত সমাজ গঠনে সহযোগিতা, স্যানিটেশন, নারী ও শিশু নির্যাতন ও পাচার প্রতিরোধ, এইচ,আই,ভি,এইডস, জন্ম-মৃত্যু নিবন্ধন, সন্ত্রাস/জঙ্গীবাদের কুফল বিষয়ে বই ও লিফলেট তৈরী ও বিতরণ, সচেতনতা সুষ্টি, ধুমপান নিরম্নৎসায়িত করণ, এন,আই,ডি বাসত্মবায়নে সহযোগিতা, জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ,প্রজনন স্বাস্থ্য এবং নারী অধিকার সংরক্ষণ, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা,প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবেলায় ধর্মীয় নেতার মাধ্যমে জনগনকে অবহিত করা এবং স্থানীয় প্রশাসন ও সরকার কর্তৃক দেয় দায়িত্ব তাৎক্ষণিকভাবে বাসত্মবায়ন ও সহযোগিতা অব্যাহত রয়েছে।

যোগাযোগ

 

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

ব্রাহ্মনবাড়িয়া জেলা কার্যালয়

 

কলেজ রোড মৌড়াইল।

ফোনঃ ০৮৫১-৫৯৬১৪

 

ফ্যাক্স-০৮৫১-৬১৬১১ 

 

মোবাইল- ০১৭১৫৪৫৫৫২৬ 

 

ই-মেইল- ifbrahmanbaria@yahoo.com

তথ্য বাতায়ন - islamicfoundation.brahmanbaria.gov.bd

কী সেবা কীভাবে পাবেন

ক্রমিক নং      

সেবার নাম

দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা / কর্মচারী

সংক্ষিপ্ত সেবা প্রদান পদ্ধতি

সেবা প্রাপ্তির প্রয়োজনীয় সময় ও খরচ

সংশ্লিষ্ট আইন-কানুন / বিধি-বিধান/  নীতিমালা

নির্দিষ্ট সেবা পেতে ব্যর্থ  হলে পরবর্তী প্রতিকারকারী কর্মকর্তা

০১

ইমাম প্রশিক্ষণ কার্যক্রম

ঊপ-পরিচালক ইমাম প্রশিক্ষণ একাডেমি

দৈনিক পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি জারি করার পর ইমাম সাহেবগণ জেলা কার্যালয়ের উপ-পরিচালকদের বরাবরে আবেদনপত্র পেশ করেন। এই আবেদনপত্রের সাথে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সংযুক্ত করতে হয়। নির্ধারিত তারিখে  তাদের সাক্ষাৎকার অনুষ্ঠিত হয়। সাক্ষাৎকারে যারা মনোনীত হন তাঁদের একটি তালিকা নির্ধারিত ইমাম প্রশিক্ষণ একাডেমি কেন্দ্রে প্রেরণ করা হয়। এখানে ইমামদের পুনরায় চূড়ান্তভাবে যাচাই করা হয়। মনোনীত ইমামদের প্রশিক্ষণের জন্য তালিকা প্রকাশ করা হয় এবং অমনোনীতদেরকে অবহিত করা হয়।  ইমাম সাহেবগণ ৪৫ দিন ব্যাপী প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেন। প্রশিক্ষণ শেষে তাঁদের সনদপত্র প্রদান করে  প্রশিক্ষণ সমাপ্ত করা হয়।

৪৫ দিন;  বিনামূল্যে

ইসলামিক ফাউন্ডেশন আইন, ১৯৭৫

 

পরিচালক, ইমাম প্রশিক্ষণ একাডেমি

০২

মসজিদ ভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা কার্যক্রম

উপ-পরিচালক, জেলা কার্যালয়, ফিল্ড অফিসার

প্রতি বছর অক্টোবর মাসের মাঝামাঝি শিক্ষক ও কেন্দ্র বাছাই করার জন্য বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। প্রাপ্ত আবেদনপত্রসমূহ যাচাই বাছাইয়ের পর একটি তালিকা প্রণয়ন করা হয়। শিক্ষক নির্বাচন করার জন্য লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষা গ্রহণ করা হয়। অত:পর তালিকা চূড়ান্ত করে অনুমোদিত তালিকা অনুসারে শিক্ষক নিয়োগ করা হয় এবং কেন্দ্র চূড়ান্ত করা হয়।  ফিল্ড সুপারভাইজার  প্রতিটি কেন্দ্রে একটি কমিটি গঠন করে দেন। উক্ত কমিটি মসজিদ ভিত্তিক শিশু ও গণ শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা করে থাকেন।

২ মাস ১৬ দিন;  বিনামূল্যে

১। শিক্ষক-কে এসএসসি সমমানের যোগ্যতা থাকতে হবে।

২। কেন্দ্র শিক্ষার্থীদের  বয়স ৬ এর নীচে হতে হবে।

৩। শিক্ষকের বয়স ১৮-৬৫ বছরেরমধ্যে হতে হবে।

৪। শিক্ষার্থীদের কেন্দ্রে যাতায়াত করা ও পড়াশুনার পরিবেশ থাকতে হবে।

পরিচালক মসজিদ  ভিত্তিক গণশিক্ষা কার্যক্রম-উপ-পরিচালক , জেলা কার্যালয়

 

ইমাম মুয়াজ্জিনদের কল্যাণ ট্রাস্ট থেকে ঋণ/আর্থিক সহায়তা

উপ-পরিচালক, জেলা কার্যালয়, হিসাব রক্ষক

 

ট্রাস্টের আওতায় ঋণ ও আর্থিক সহায়তা প্রদান করার জন্য নির্ধারিত কোটা দিয়ে প্রধান কার্যালয় থেকে জেলা কার্যালয়ে  পত্র প্রেরণ করার পর জেলা অফিস আবেদনপত্র আহ্বান ও  যাচাই বাছাই করা হয়। বাছাইকৃত আবেদনপত্রগুলো কমিটির নিকট উপস্থাপন করার পর চূড়ান্ত অনুমোদনের পর প্রধান কার্যালয়ে প্রেরণ করা হয়। প্রধান কার্যালয়ের অনুমোদন পাওয়ার পর গ্রাহকদেরকে ঋণ প্রদান করা হয়। কেউ যদি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ঋণের টাকা গ্রহণে ব্যর্থ হয় তবে তাকে পুনরায় পত্র দেওয়া হয় এবং ঋণ বিতরণ শেষ করা হয়।

 

 

২৫ দিন;  

১। কল্যাণ ট্রাস্টের সদস্য

২। মাসিক নিয়মিত চাঁদা প্রদান

ইমাম ও মুয়াজ্জিন কল্যাণ ট্রাস্ট

অধ্যাদেশ ২০০১

পরিচালক, ইমাম প্রশিক্ষণ একাডেমি

০৪

যাকাত সংগ্রহ ও বিতরণ

উপ-পরিচালক, জেলা কার্যালয়

যাকাত সংগ্রহ:  যাকাত ফান্ড প্রধান কার্যালয় থেকে জেলা যাকাত কমিটির সভাপতি বরাবরে পত্র প্রেরণ করা হয়। জেলা যাকাত কমিটির সদস্য সচিব, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের উপ- পরিচালক ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার জেলার  ধনী ব্যক্তিদেরকে যাকাত প্রদানের জন্য প্রধান কার্যালয় থেকে প্রেরিত পত্রের বিষয়টি অবহিত ও উদ্বুদ্ধ করেন। উক্ত ব্যাক্তিগণ পরবর্তীতে যাকাতের টাকা সরাসরি ব্যাংকে টাকা জমা প্রদান করে থাকেন।

যাকাত বিতরণ:

যাকাত গ্রহীতাদের আবেদনপত্র যাচাই-বাছাই করার জন্য তালিকা তৈরি করে কমিটির সভায় উপস্থাপন করা হয়। কমিটি  যাচাই-বাছাই করে যোগ্য   ব্যক্তিদেরকে নির্বাচন  করে   যাকাত বিতরণ কার্যক্রম সম্পন্ন করে থাকে।

৩ মাস;  বিনামূল্যে

যাকাত ফান্ড অধ্যাদেশ, ১৯৮২

পরিচালক, অর্থ ও হিসাব বিভাগ, ইসলামিক ফাউন্ডেশন

 

 

০৫

মসজিদ পাঠাগার স্থাপন ও পরিচালনা

উপ-পরিচালক, জেলা কার্যালয়

প্রতি বছর ডিসেম্বর মাসে মসজিদ পাঠাগার স্থাপন করার জন্য মসজিদ কমিটির কাছ থেকে আবেদনপত্র গ্রহণ করা হয়। প্রাপ্ত আবেদনপত্র সমূহ যাচাই-বাছাই সম্পন্ন হলে  চূড়ান্ত তালিকা প্রস্তুত করে মার্চ মাসের মধ্যে সংশ্লিষ্ট  পরিচালকের দপ্তরে প্রেরণ করা হয়। এখানে মসজিদ পাঠাগারসমূহের প্রশাসনিক অনুমোদন প্রদান করা হয় এবং এই পাঠাগার সমূহের জন্য পুস্তক অনুমোদন দেয়া হয়। অনুমোদিত পাঠাগারের তালিকা ও অনুমোদিত পুস্তকসমূহ প্রধান কার্যালয় থেকে জেলা অফিসে প্রেরণ করা হয়। অতঃপর  জেলা অফিস থেকে সংশ্লিষ্ট মসজিদ পাঠাগার কমিটির নিকট পুস্তক গ্রহণ করার জন্য পত্র প্রেরণ করা হয়। নির্ধারিত তারিখে এসে মসজিদ কমিটি পুস্তক গ্রহণ করবে। কোন কমিটি নির্ধারিত সময়ে পুস্তক গ্রহণ না করলে জেলা অফিস   থেকে পুনরায় পত্র প্রেরণ করা হবে। তারপরেও মসজিদ কমিটি পুস্তক গ্রহণ না করলে তাঁদের আবেদন বাতিল করা হয়।

৪ মাস (পাঠাগার স্থাপন কার্যক্রম শুরু হয়  প্রতি বছর ডিসেম্বর মাসে) ;  বিনামূল্যে

১.নির্ধারিত ফরমে দরখাস্ত করতে হয়

২.প্রধান কার্যালয়ের অনুমোদনক্রমে পাঠাগার স্থাপন করা হয়

পরিচালক,       

মসজিদ পাঠাগার,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

০৬     

সেলাই প্রশিক্ষণ মেশিন  বিতরণ

সিনিয়র মেডিক্যাল অফিসার, ইসলামিক মিশন কেন্দ্র

স্থানীয়ভাবে আগ্রহী ব্যাক্তিদের থেকে দরখাস্ত আহ্বান করা হয়। প্রাপ্ত আবেদনপত্রগুলো প্রাথমিক যাচাই-বাছাই সপম্ন্ন করা হয়। অতপরঃ কমিটির মাধ্যমে  আবেদনকারীদের লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষা গ্রহণ করে চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত করা হয়। চূড়ান্তভাবে নিবাচিতদেরকে নির্দিষ্ট মেয়াদ পর্যন্ত  হাতে-কলমে প্রশিক্ষণ প্রদান করে সনদপত্র প্রদান ও একটি সেলাই মেশিন প্রদান করা হয়।

দাপ্তরিক কার্যক্রম- ৪০-৪৫ দিন

(প্রশিক্ষণ সময়-৩ মাস);  বিনামূল্যে

যাকাত ফান্ড, অধ্যাদেশ ১৯৮২

পরিচালক, ইসলামিক মিশন

০৭

ইসলামিক মিশনের মক্তব শিক্ষা কার্যক্রম

সিনিয়র মেডিক্যাল  অফিসার, ইসলামিক মিশন কেন্দ্র

শিক্ষক নিয়োগ করার জন্য বিজ্ঞপ্তি  প্রকাশ করার পর প্রাপ্ত আবেদনপত্র গ্রহণ করে কমিটির মাধ্যমে আবেদনপত্র যাচাই-বাছাই করে তালিকা চূড়ান্ত করা হয়। লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষার মাধ্যমে শিক্ষক নির্বাচন সম্পন্ন  করে  মনোনীত শিক্ষককে নিয়োগপত্র প্রদান করা হয় ও সংশ্লিষ্ট মক্তবে শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়।

 দাপ্তরিক কার্যক্রম- ৩০ দিন ; বিনামূল্যে

ইসলামিক ফাউন্ডেশন আইন, ১৯৭৫

পরিচালক, ইসলামিক মিশন বিভাগ

প্রদেয় সেবাসমূহের তালিকা

সেবা ক্রমিক নং

সেবার নাম

সেবার পর্যায়

১।

ইমাম প্রশিক্ষণ কার্যক্রম

জেলা কার্যালয়

২।

মসজিদ ভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা কার্যক্রম

জেলা, উপজেলা

৩।

ইমাম মুয়াজ্জিনদের কল্যাণ ট্রাস্ট ঋণ/আর্থিক সহায়তা

জেলা

৪।

যাকাত সংগ্রহ ও বিতরণ

জেলা, উপজেলা, ইউনিয়ন

৫।

মসজিদ পাঠাগার স্থাপন ও পরিচালনা

জেলা, উপজেলা

৬।

সেলাই প্রশিক্ষণ ও সেলাই মেশিন বিতরণ

ইসলামিক মিশন কেন্দ্র

৭।

ইসলামিক মিশনের মাধ্যমে মক্তব শিক্ষা কার্যক্রম

উপজেলা, ইউনিয়ন

সিটিজেন চার্টার

সিটিজেন চার্টার

সিটিজেনচার্টার

ক্রমনং

সেবার ধরন

সেবা গ্রহীতা

ফি/চার্জ

সেবাপ্রাপ্তির জন্য করনীয়

যার সাথে যোগাযোগ করতে হবে

মন্তব্য

০১

বিভিন্ন অনুষ্ঠানের আয়োজন

জেলার বিভিন্ন মসজিদের ইমাম

প্রযোজ্য নয়

সংশ্লিষ্টদের নিকট পত্র প্রেরণ করা হয়

অফিস সহকারী ০১

অফিসের কোন কাজে কোন প্রকার অর্থ প্রদান করতে হয়না।

০২

ইমাম প্রশিক্ষণের জন্য বাছাই

জেলার বিভিন্ন মসজিদের ইমাম

প্রযোজ্য নয়

জাতীয় পত্রিকায় প্রদত্ত বিজ্ঞপ্তি ও অফিসের নোটিস বোর্ড

অফিস সহকারী ০১

০৩

সাংস্কৃতিক প্রতিযোগীতা

স্কুল ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থী

প্রযোজ্য নয়

সংশ্লিষ্টদের নিকট পত্র প্রেরণ করা হয়

অফিস সহকারী ০১

০৪

মসজিদ ভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা কার্যক্রমের প্রাক-প্রাথমিক, কোরআন শিক্ষা ও বয়স্ক শিক্ষা কেন্দ্রের শিক্ষক নিয়োগ

কমপক্ষে দাখিল / সমমানের যে কোন মসজিদের ইমাম

প্রযোজ্য নয়

স্ব- হস্তে লিখিত আবেদন করতে হয়

সংশ্লিষ্ট ফিল্ড সুপার ভাইজার

০৫

মসজিদ পাঠাগার স্থাপন

মসজিদ কমিটি / ইমাম / সংলশ্লিষ্ট ব্যক্তি

প্রযোজ্য নয়

নির্ধারিত ফর্মে আবেদন করতে হয়

অফিস সহকারী ০২

০৬

বই বিক্রয়

সর্ব সাধারন

প্রযোজ্য নয়

অফিস চলাকালীন সময়ে

বিক্রয় সহকারী

০৭

মানব সম্পদ সংক্রান্ত প্রশিক্ষণ

প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ইমাম / ব্যক্তি

সংলশ্লিষ্ট

প্রযোজ্য নয়

জাতীয় পত্রিকায় প্রদত্ত বিজ্ঞপ্তি ও অফিসের নোটিস বোর্ড

অফিস সহকারী ০১

০৮

সরকারী ব্যবস্থাপনায় হজ্ব

হজ্ব গমনেচ্ছুকগণ

প্রযোজ্য নয়

জাতীয় পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি

অফিস সহকারী ০১

০৯

সরকারী যাকাত ফান্ড

দু:স্থ, বিধবা ও এতিম শিক্ষার্থী

প্রযোজ্য নয়

অফিসে আবেদন করতে হয়

অফিস সহকারী ০১

১০

জেলা লাইব্রেরী

জন সাধারন

 

অফিস চলাকালীন সময়ে সকলের জন্য উম্মুক্ত

অফিস সহকারী ০১

১১

ইমাম মুয়াজ্জিন কল্যান ট্রাষ্ট

জেলার ইমাম ও মুয়াজ্জিনগণ

মাসিক চাদা প্রদেয়

নির্ধারিত ফর্মে আবেদন করতে হয়

অফিস সহকারী ০১

 

তথ্য অধিকার

বিজ্ঞপ্তি