সরকারী যাকাত ফান্ডে যাকাত প্রদান করুন
যাকাত ইসলামের ৩য় রুকন। আর্থিক ইবাদত। যাকাত সম্পদ পবিত্র করে এবং বৃদ্ধি করে। যাকাত হতদরিদ্রদের অধিকার। কেননা পবিত্র কুরআনে বর্ণিত আছে সকল জীবজন্তর রিযিকের জিম্মাদার আল্লাহ তাআলা। অথচ দেখা যায়,দরিদ্র জনগোষ্ঠি অনাহারে অর্ধহারে দিন কাটাচ্ছে। মহান আল্লাহতাআলা সরাসরি দরিদ্রদের রিযিকের ব্যবস্থা না করে দুটো হেকমতের কারণে ধনীদের সম্পদের মধ্যে দরিদ্রদের রিযিকরে অকিকার রেখেছেন। দুটো হেকমত হলো-১. সকলকে রিযিকের প্রাচুর্যতা দিলে পৃথিবীতে বিপর্যয় সৃষ্টি হতো। ২. কেউ কারোর কাজ করতো না। ফলে পৃথিবী অচল হয়ে যেতো। কাজেই পৃথিবীতে যাতে বিপর্যয় সৃষ্টি না হয় এবং পৃথিবী যাতে অচল হয়ে না যায়।সেই জন্য সরাসরি দরিদ্রদের রিযিকের ব্যবস্থা না করে; ধনীদের সম্পদের মধ্যে যাকাতের বিধান করেছেন। এতে দরিদ্র জনগোষ্ঠি ধনীদের আনুগত হবে। ধনীগণ দরিদ্রের প্রতি সহানুভূতিশীল হবে।ধনীগণ যদি দরিদ্রের জন্য সম্পদ খরচ না করে; তবে তাদের জন্য শাস্তিরও বিধান রেখেছেন। তাই হাদিসে বর্ণিত আছে,যাকাত হলো ইসলামের সেতু বন্ধক। সূতরাং পৃথিবীতে যাকাত বিধান চালু হলে; পৃথিবী শান্তির নীড়ে পরিণত হবে।তাই আসুন আমরা সচ্ছল ব্যক্তিগণ সকলেই মালামাল হিসাব করে যাকাত দে্ই।সূরা তাওবা,সূরা মায়ারিজ,সূরা শুরা, সূরা যুখরুফ সহ পবিত্র কুরআনের বহু স্থানে যাকাতের কথা বর্ণিত হয়েছে । আমরা যাকাতের একটি অংশ সরকারী যাকাত ফান্ডে দেই।
পরিকল্পনা ও বাস্তবায়নে: মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, এটুআই, বিসিসি, ডিওআইসিটি ও বেসিস